এ কে স্কুলের সাবেক সভাপতি গ্যাস্টিক বাবুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
নগরীর আছমত আলী খান (এ কে) ইনিষ্টিটিউট এর সাবেক সভাপতি মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবুর অনিয়ম-দুর্নীতিসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। খুব দ্রুত দুর্নীতির সকল জট খুলে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এদিকে বাবুর অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে আজকের পরিবর্তনে সংবাদ প্রকাশের পর সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি বাবুর বিচার দাবী করেছেন স্কুলটির শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তদন্ত কমিটির প্রধান বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মুরাদুল হাসান বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে স্কুলটির সার্বিক অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের জন্য আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি একাধিকবার সরেজমিন তদন্ত করেছি। অধিকতর তদন্তের জন্য একটু সময় নিচ্ছি। খুব দ্রুত সময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
৫ আগস্টের পর ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত হলে সভাপতির দায়িত্ব পান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুচিকান্ত হাজং। তিনি বলেন, আমি কিছুদিনের জন্য স্কুলটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম। তখন আমার কাছে স্কুলটির নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ আসে। আমি তদন্তের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কে দায়িত্ব দেই। তদন্তের অগ্রগতি তিনিই বলতে পারবেন। প্রতিবেদন পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে হাসান মাহমুদ বাবুর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সভাপতির দায়িত্ব পান আরেক আওয়ামী লীগ নেতা আইনজীবী গোলাম মাসউদ বাবলু। তিনি বলেন, সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা কে দিয়ে স্কুলটির ৩ বছরের সার্বিক আর্থিক বিষয় অডিট করিয়েছি। যে রিপোর্টে অনেক আর্থিক অসঙ্গতির বিষয় উঠে এসেছে। আশা করছি দায়িত্বরতরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন।
উল্লেখ্য ২০২০ সাল থেকে এ কে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পান হাসান মাহমুদ বাবু। এর পরপরই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বাবু নিজে এবং তার স্ত্রীকে ক্ষমতার প্রভাবখাটিয়ে কয়েকবার স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব নেন।
Post Comment