কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অফিস ভাংচুর ও লুট, এসআই মাজেদ কে বদলীর দাবী
নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার বিতর্কিত এসআই মাজেদের কারনে বিশাল নৈরাজ্যের সৃষ্টি হতে যাচ্ছিল পুরো বাংলাদেশ। তবে উর্ধতন পুলিশ কর্তাদের আশ্বাসের ফলে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়নি ফার্মেসি সেক্টরে।
সুত্র জানায়,বরিশাল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অফিস ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলা ও আসামীদের সাথে যোগসাজসের অভিযোগ এনে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার উপ পরিদর্শক মাজেদ কে প্রত্যাহারের দাবী করা হয়েছে। একই সাথে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী ইকবাল আজম খানসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতাদের দাবী জানানো হয়েছে কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির পক্ষ থেকে। এবং কেমিস্ট নেতৃবৃন্দের এই দাবী মেনে নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এ কারণে বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।কর্মসূচি প্রত্যাহার না হলে সারাদেশে ফার্মেসি ধর্মঘট হত।আর এই ধর্মঘট হলে পুরো দেশে একটা কৃত্রিম সংকট তৈরি হত এবং হয়ত কোন কোন রোগীর পৃরাননাশের ঘটনাও ঘটতে পারত।আলাপ করা হলে বরিশাল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি আক্তারুজ্জামান হিরু বলেন, রোববার ৫ জানুয়ারী আমি ঢাকায় ছিলাম। বিভিন্ন মাধ্যমে সমিতির অফিস ভাঙচুরের বিষয়টি দেশের অনেক জেলার কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতৃবৃন্দ জানতে পারে। তারা আমাকে ফোন করে সোমবার একযোগে সারা দেশে সকাল ১০টায় মানববন্ধন করার কথা জানায়।
ইতোমধ্যে বরিশাল উপ পুলিশ কমিশনার আলী আশরাফ ফোনে আমার সাথে যোগাযোগ করে আসামী ধরতে তাদের আন্তরিকতার কথা জানান এবং সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করি। তিনি আরো বলেন, সোমবার দুপুরে বরিশাল পৌঁছে পুলিশ কমিশনার, উপ পুলিশ কমিশনার এবং ওসি সাহেবের সাথে দেখা করেছি। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন।
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করা হয়েছে। তারা বরিশালের বাইরে অবস্থান করছে। আমাদের একটি টিম তাদের ধরতে কাজ করছে। আশা করছি আমরা সফল হবো।
প্রসঙ্গত, শনিবার ভোররাতে কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অফিস ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। পরে ৪ জনকে নামধারী ও ২০ /২৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা করে কর্তৃপক্ষ।
Post Comment