গৃহকর্মীর অধিকার ও সুরক্ষা রক্ষায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
EWCSA প্রকল্পের আওতায় এবং আভাসের আয়োজনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় গৃহকর্মীর অধিকার ও সুরক্ষা রক্ষায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ জানুয়ারী রবিবার সকাল ১০টায় আভাসের মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক লুসিকান্ত হাজং। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মারিয়া হাসান, বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হাসান,
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ, বিসিসির মেডিকেল অফিসার ডা: সজল পান্ডে, ডা: মাজহারুল ইসলাম রেজা, পপুলার ডায়াগনিস্টিক সেন্টার এর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো মোশাররফ হোসেন, ম্যাপের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর চক্রবর্তী, রনজিৎ দত্ত, গৃহকর্মী ও গৃহকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ।
অক্সফাম ও ইউরোপিয় ইউনিয়ন এর আর্থিক সহযোগীতায় এবং আভাসের বাস্তবায়নে
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আভাসের নির্বাহী পরিচালক রহিমা সুলতানা কাজল এসময় তিনি প্রকল্পের বিষয় ধারনা দিয়ে বিস্তারিত বিষয় আলোচনা করে বলেন নগরীর বরিশাল ৬টি ওয়ার্ডে নিয়ে গৃহকর্মী সুরক্ষায় কাজ শুরু করছেন।প্রকল্প সমন্বয়ক ফারজানা ফেরদৌসের উপস্থাপনায় প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মপরিল্পনা বর্ননা করেন।
এছাড়া, ১০০০ গৃহকর্মীদের উপরে করা বেইসলাইন সার্ভে এর ফলাফল প্রকাশ করেন। অবহিতকরন সভায় গৃহকর্মীদের অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য সকল দপ্তরকে একত্রিত করার প্রায়াস চালানো হয়। এসময় মনিরা বেগম নামে ১১ নং ওয়ার্ডের একজন গৃহকর্মী বেতন এর অসামাঞ্জাস্য এবং গৃহকর্তার পক্ষ থেকে অসম্মানজনক আচরনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যদি মাসে ৪ দিন ছুটির ব্যবস্থা করা যায় ও মানুষ হিসেবে মুল্যয়িত হবার প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথি ডাক্তার মারিয়া হাসান বলেন, গৃহকর্মীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং বিভিন্ন সরকারী সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে। স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি গৃহকর্মীদের শিক্ষাগত প্রবৃদ্ধির দিকে জোড় দেয়ার কথা বলেন তিনি।
মো: মোশাররফ হোসেন বলেন গৃহকর্মীসহ আভাসের সুবিধাভোগীদের জন্য বিশেষ সেবা প্রদান করাহবে। এসময় তিনি সুবিধাভোগীরা ডাক্তার পরামর্শ ফি বাবদ এবং পরীক্ষানিরীক্ষা বাবদ ৫০% ছাড় দেয়ার কথা বলেন।
ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয় নির্যাতিত গৃহকর্মীদের ৬-৭ দিনের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন এবং সেই সাথে গার্হস্থ্য সহিংসতার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
একই সাথে গৃহকর্মীদের প্রতি বিরুপ আচরন রোধে মানসিকতার পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেন।এছাড়াও সভায় গৃহকর্মী সুরক্ষা নীতিমালা-২০১৫ বাস্তবায়নের অংগীকার করেন ।
Post Comment