Loading Now

গৌরনদীতে হাতুড়ে চিকিৎসকের ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যু

গৌরনদী প্রতিবেদক ॥

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয় ব্যবসায়ী সুমন বেপারী (৩৫)। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ব্যাথার ইনজেকশন পুশ করা হয়। এতে আরো অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন সুমন।

মৃত সুমন গৌরনদী উপজেলার ধানডোবা গ্রামের শাহ আলম বেপারীর একমাত্র ছেলে। সে (সুমন) তার বাবার সাথে টরকী বন্দরে দীর্ঘবছর যাবত আদর্শ লাইব্রেরী নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে মৃত সুমনের মরদেহ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মৃত সুমনের বাবা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কসবা এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং আরো কয়েকজন আহত হয়। ওই দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে ফেরার পথে নছিমনের ধাক্কায় আহত হয় সুমন। তাকে উদ্ধার করে টরকী বন্দরের পল্লী চিকিৎসক সুজন সরকারের কাছে নেয়ার পর সুমনের শরীরে ব্যাথা কমানোর ইনজেকশন পুশ করা হয়।

পল্লী চিকিৎসক সুজন সরকার বলেন, দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর আমার কাছে নিয়ে আসলে সুমনকে একটি টোরাক্স (ব্যাথানাশক) ইনজেকশন পুশ করা হয়। এরপর উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ব্যাথানাশক ইনজেকশন পুশ করার বৈধতা আছে কিনা জানতে চাইলে পল্লী চিকিৎসক সুজন সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা এভাবেই চিকিৎসা দিয়ে আসছি।

এবিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফখরুল ইসলাম মৃধা বলেন, ব্যবস্থাপত্র ছাড়া চিকিৎসা কিংবা ইনজেকশন দেওয়ার বৈধতা তার নেই। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED