দলীয় কার্যালয়ে ব্যানার লাগালো বরিশাল আওয়ামী লীগ
দীর্ঘ ১৮ মাস পরে বরিশাল নগরীর সদর রোডস্থ বিবির পুকুর পারে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পুড়িয়ে ফেলা কার্যালয়ে প্রবেশ করে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। এবং সেখানে জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেনের ব্যানার সাঁটিয়ে দেয় তারা। এরপরে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা টানিয়ে সড়ে যায় তারা। এ ঘটনা সকাল ৬ টার পরে। আওয়ামী লীগের এমন কামব্যাক কে ঘিরে নগরী জুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভুমিকা নিয়েও। সুত্র জানায়,বরিশাল নগরীর বিবির পুকুর পাড়ে সবসময় কোতোয়ালি থানার পুলিশের টহলের আওতায় থাকে। এক্ষেত্রে থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন উল ইসলামের গাফেলতি স্পষ্ট লক্ষনীয়।তিনি এ থানার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা অনেকটা সেইফসাইডে আছেন। তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের নিধন ও তাদের মধ্যে গ্রুপিংয়ের চেষ্টায় মও থাকেন। মুলত তিনি জামায়াতপন্থী একজন সরকারি কর্তা। সেক্ষেত্রে তার মত অফিসার দিয়ে সামনের দিনগুলোতে পথচলা অনেকটা প্রশ্নবিদ্ধ করবে নতুন দায়িত্ব নিতে যাওয়া সরকারকে।
এ বিষয়ে বিএনপির বরিশাল মহানগর শাখার আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের সাথে কথা হলে তিনি জানান,আওয়ামীলীগকে ছাড় দেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমাদের দলের চেয়ারম্যান ক্লিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালাতে হলে আইন ফেস করে আসতে হবে। তারপরও প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারি কেন বুঝতে পারছি না।
যদিও পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলছেন ভিন্ন কথা, তার মতে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর নতুন ইনসট্রাকশন অনুযায়ী কাজ করবে পুলিশ। আর আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ রয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা বরিশাল কার্যালয়ে ব্যানার কিংবা অন্য কোন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকলে সেটা অন্যায়।এক্ষেত্রে পুলিশের কোন গাফেলতি থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখ্য ২০২৪ সালের জুলাই গনঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে স্বৈরাচারী হাসিনা ও তার দল আওয়ামীলীগের।এসময় ৫ আগষ্ট বরিশাল আওয়ামী লীগের কার্যালয় আগুন জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। সেই থেকে বিবির পুকুর পারে অবস্থিত ঐ অফিসটি কুকুর বিড়াল ও বিবির পুকুর পাড়ে ঘুরতে আসা মানুষদের শৌচাগারে পরিনত হয়েছিল।



Post Comment