Loading Now

দেশ ছেড়েছেন ফয়েজ তৈয়্যব

অনলাইন ডেক্স ।।

নানান গুঞ্জন আর গুজবকে সত্যে পরিণত করে নেদারল্যান্ডসে চলে গেলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘ইকে ৫৮৩’-এর যাত্রী হয়ে দেশ ছাড়েন ফয়েজ। এর মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রশাসনের উচ্চ ও ঘনিষ্ঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাঝে ফয়েজ তৈয়্যবেরই প্রথম দেশ ছাড়ার তথ্য পাওয়া গেল।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনসিপি গঠনের জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেন নাহিদ ইসলাম। এরপর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খালি হলে প্রায় এক বছর আগে সে বছরের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় এই মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান ফয়েজ আহমদ। এর আগে তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে ‘পলিসি অ্যাডভাইজার (সংস্কার ও সমন্বয়)’ পদে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে দেশের প্রযুক্তি খাত নিয়ে কাজ করার জন্য নেদারল্যান্ডসের নাগরিক ফয়েজ তৈয়্যবকে নিয়ে আসে অন্তবর্তী সরকার।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল। গুঞ্জন চলছিল যে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই দেশ ছাড়বেন আলোচিত-সমালোচিত অনেকেই। এই আলোচনার বাস্তবায়ন দেখা গেল ফয়েজ তৈয়্যবের দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে।

দেশের বিমানবন্দরে যাত্রী আসা-যাওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট একটি গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের সূত্র নিশ্চিত করেছেন যে, ফয়েজ তৈয়্যব আজ শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে দুবাইগামী এমিরেটসের ফ্লাইটে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। তার চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশ ত্যাগের সময় ফয়েজ তার নেদারল্যান্ডসের পাসপোর্ট NMF001DH5 ব্যবহার করেছেন।

 

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) একটি সূত্র পরিচয় গোপনের শর্তে সাংবাদিকদের জানায় যে, দেশত্যাগের সময় ফয়েজ তৈয়্যবের কাছে তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং ব্যক্তিগত পাসপোর্ট দুটোই ছিল। তবে ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ব্যবহার করলে দায়িত্বরত পুলিশ ফয়েজের কাছে বিদেশ গমনে সরকারি আদেশ তথা জিও দেখতে চান। তবে এ সময় ফয়েজ তৈয়্যবের কাছে জিও ছিল না।

ঐ সূত্র আরও জানায়, পরবর্তীতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে জিও জারি করান ফয়েজ তৈয়্যব। সেই আদেশের সফট কপি ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে দেখিয়েই ইমিগ্রেশন পার করেন ফয়েজ। তবে দেশত্যাগে বা বিদেশ গমনে ফয়েজ তৈয়্যবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা না থাকায় বিমানবন্দরে তার বহিঃগমনে আর কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED