প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ৩রা নভেম্বর একটি স্থানীয় পত্রিকা ও একটি অনলাইনে ‘৫ই আগষ্টের পর নতুন মোড়কে এসে হয়রানি, সেনাবাহিনীর কাছে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর অভিযোগ’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে উক্ত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয় ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশের রাজনৈতিতে আমূল পরিবর্তন আসলেও বরিশালের দক্ষিন রুপাতলী এলাকার প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান বাদশার স্ত্রী কে হয়রানি করা বন্ধ হচ্ছে না। এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবদুল্লাহ আল-নাঈম রয়েল কে খুন গুম বা হয়রানির মিথ্যা কথা প্রকাশ করা হয়। যা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।
প্রকৃত পক্ষে রয়েলের পিতা একজন মরহুম মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান এলাকায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও ভালো মানুষ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি জিবীত থাকা অবস্থায় বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন সময়ে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা জমি বিক্রি করে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় সকলের সম্মিলিত মতামতে ওই সড়কের নাম নামকরন করা হয় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান সড়ক। যেহেতু তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ও সন্মানিত ব্যাক্তি ছিলেন কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার মৃত্যুও পরে তারই সন্তান রয়েল বিভিন্ন স্থানীয়দের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। পরবর্তিতে আবদুল্লাহ আল নাঈম রয়েল খামখেয়ালী করে সড়কটি আটকিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে একটি পাকা গেট নির্মান করেন। যার বিরোধীতা করেন তার আপন চাচাতো ভাই সহ স্বজন ও স্থানীয়রা।
এদিকে সিটি কর্পোরেশন একাধিকবার রয়েলকে গেট টি অপসরন করে সকলের চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার নির্দেশ দিলেও রয়েল তা না করে তৎকালিন আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে গেটটি স্থায়ী ভাবে আটকে দেয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশি আলহাজ¦ শেখ মোহাম্মদ সালাম ও তার পরিবারের নামে এই রয়েল বিভিন্ন অপপ্রচার ও মিথ্যা গুজব রটাচ্ছে। উল্লেখ থাকে যে সড়ক অপসরনের বিষয়ে বিগত সময়ে পুলিশ কমিশনার, সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় কাউন্সিলর সহ প্রশাসনের সকল দপ্তরই অবগত রয়েছে।
বিনীত
আলহাজ্ব শেখ মোহাম্মদ সালাম।
Post Comment