Loading Now

বরিশালের পথে পথে খেলনার পসরা, শিশুদের উপচে পড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির তৃতীয় দিনেও বরিশালের রাস্তার ধারে চোখে পড়ছে শিশুদের আনন্দঘন উপস্থিতি। শহরের বিভিন্ন সড়ক, মোড়, অলিগলি ও বিশেষ করে পার্কসংলগ্ন এলাকায় খেলনার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা। রঙিন বেলুন, প্লাস্টিকের গাড়ি, পুতুল, খেলনা বন্দুক, বাঁশি, মুখোশসহ নানা ধরনের খেলনা ঘিরে শিশুদের ভিড়। এ যেন এক আলাদা উৎসবমুখর পরিবেশ।

সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে বরিশালের বেলেস পার্ক, তিরিশ গোডাউন, বেলতলা নদীর পাড়, শিশু পার্ক, চৌমাথা, ভাটিখানা, পলাশপুর, রসুলপুর, চাঁদমারি,কাশিপুরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঈদের সালামির টাকা হাতে পেয়ে অনেক শিশুই বেরিয়েছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। কেউ নিজের পছন্দের খেলনা বেছে নিচ্ছে, কেউ আবার ভাই-বোন বা বন্ধুদের সঙ্গে মিলিয়ে মিলিয়ে কিনছে ছোট ছোট আনন্দের উপহার। নতুন খেলনা হাতে পেয়েই অনেককে দেখা গেছে রাস্তার পাশেই খেলায় মেতে উঠতে। তাদের হাসি আর উচ্ছ্বাসে বরিশালের কিছু এলাকা হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত।

ঈদের ছুটিতে এখনো বরিশালে অনেকটাই ফাঁকা। কর্মব্যস্ততার চাপ কম থাকায় পরিবার নিয়ে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন নগরবাসী। সেই সুযোগে শিশুদের নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছেন অনেকে। পার্ক, উন্মুক্ত স্থান ও বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রের আশপাশে তাই খেলনার অস্থায়ী দোকানগুলোতে বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে।

অভিভাবকদের অনেকেই জানান, ঈদের আনন্দকে স্মরণীয় করে রাখতে শিশুদের ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করছেন তারা। তাই পথে চলতে চলতেই সন্তানদের জন্য কিনে দিচ্ছেন পছন্দের খেলনা। সালামির টাকায় নিজেরাই খেলনা কিনতে পারায় শিশুদের মাঝেও দেখা গেছে বাড়তি উচ্ছ্বাস।

বরিশালের পথে পথে ছড়িয়ে থাকা এসব ছোট ছোট খেলনার পসরা যেন ঈদের আনন্দকে আরও রঙিন করে তুলেছে। পুরো শহর এখনো স্বাভাবিক ব্যস্ততায় না ফিরলেও শিশুদের হাসি, কোলাহল আর খেলনার রঙিন উপস্থিতিতে ধরে আছে ঈদের উৎসবের আবহ।

বেলতলা এলাকায় রাস্তার পাশে খেলনা বিক্রি হচ্ছে। ছেলের জন্য খেলনা কিনতে এসেছেন ওই এলাকার সালাম সিকদার। তিনি জানান, ঈদের দিন কয়কটি খেলনা কেনার পরও আবার খেলনা কিনতে বায়না ধরেছে। কিনে না দেওয়ায় নিজের জমানো সালামির টাকায় খেলনা কিনতে রাজি হয়েছে তার সন্তান।

 

খেলনা বিক্রেতা সজিব বলেন, প্রতি বছর ঈদের সময় তিনি বেলেস পার্ক এলাকায় ভ্রাম্যমান দোকান বসিয়ে খেলনা বিক্রি করেন। এ বছর বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে বলে জানান তিনি। ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দামের খেলনা রয়েছে তার কাছে।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED