বরিশালে অপহরণ-ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশালে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন এবং দুই নারীসহ চারজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার ২৬ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা. রকিবুল ইসলাম পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে বেঞ্চ সহকারী মো. আজিবর রহমান জানিয়েছেন। যাবজ্জীবন দণ্ডিত মো. দিদার খান (৩৬) পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়ি ভাষা গ্রামের বাসিন্দা।
১৪ বছরের দণ্ডিতরা হলেন- বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার আলমগীর ফকির (৬০), তার স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫০), ছেলে রুবেল ফকির বুলেট (৩৬) ও তার স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৩২)।
বেঞ্চ সহকারী আজিবর বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দিদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও এক বছর এবং ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত চারজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন দিদার। মেয়ে অপ্রাপ্ত হওয়ায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবার। তখন দিদারের বোন শাহানাজ, ভগ্নিপতি বুলেট ও তার বাবা-মা দীর্ঘদিন ধরে ফুসলিয়ে ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীকে অপহরণ করেন।
পরে ওই ছাত্রীকে পঞ্চগড়ের হাড়িভাষা এলাকায় নিয়ে গিয়ে দিদার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর ছয়জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করে ছাত্রীর বাবা। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন এসআই মো. হাবিবুর রহমান ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত দিদারকে যাবজ্জীবন এবং চারজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়। এসময় আদালত পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়ি ভাষা গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিম খানকে খালাস দেয়।
Post Comment