Loading Now

বরিশালে পুকুর-দীঘিতে মিলল মানবদেহের বিভিন্ন অংশ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

বরিশাল নগরীর কাশীপুরের পশ্চিম ইছাকাঠী এলাকার দুটি পুকুর থেকে মানবদেহের একাধিক খন্ডিত অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা হত্যাকান্ড সংঘটিত করার পর দেহের বিভিন্ন অংশ ওই দুটি পুকুরে ফেলা হয়। এটা বরিশালের বাহিরের ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তারা।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ত্রিপল নাইন থেকে ফোন পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি খন্ডিত পা উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেন। এরপর ওই পুকুরসহ পার্শ্ববর্তী পুকুরে তল্লাশী চালানো হয়। এ সময় হাত-পা এবং কলিজাসহ ৫ টুকরা উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী জানান, সকালে স্থানীয় এক ব্যাক্তি আলতাফ মেয়ার পুকুরে হাতমুখ ধুতে যায়। এসময় মানুষের পায়ের একটি অংশ দেখতে পায়। এর পরে পার্শ্ববর্তী হাতেম মীরার দিঘিতে এক কিশোর মরা মাছ মনে করে একটি বস্তু উঠালে সেখানে আরেকটি পায়ের অংশ পায়। এই ঘটনায় স্থানীয়রা ট্রিপল নাইনে ফোন দিলে পুলিশ সন্ধান চালিয়ে মানবদেহের কলিজা সহ মোট ৫টি টুকরা উদ্ধার করে।

 

পুকুরে আরো খন্ডিত অংশ থাকার আশংকায় দুপুর আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরী দল পুকুরে নামানো হয়। তবে পুকুর থেকে আর কোন খন্ডিত অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ খন্ডিত অংশের মাথার সন্ধান চালাচ্ছিল। চেহারা উদ্ধার করা সম্ভব হলে সে ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান মিললে হত্যাকান্ডের শিকার ব্যক্তির পরিচয় সম্ভব ছিল বলে জানিয়েছেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন সিকদার।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার রুনা লায়লা জানান, মানব দেহের অংশগুলো নারী না পুরুষের তা তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায়নি। সেগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ডিএনএ টেস্টসহ অন্যান্য পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বোঝা যাবে এটি কার। তাছাড়া গত কয়েকদিনে যেহেতু কোন নিখোঁজ মামলা বা ডায়েরি হয়নি, তাই ধারনা করা হচ্ছে এটি নগরীর বাইরের ঘটনা। তবে পরিচয় উদ্ধার ও রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED