বিয়ে নিয়ে খোঁচাখুঁচিতে বিরক্ত শোয়েব মালিক
স্পোর্টস ডেক্স ।।
গুঞ্জন উঠেছে, চতুর্থবারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিক। বিষয়টি নিয়ে কিছু দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অবশেষে এই ইস্যুতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন মালিক।
২০০২ সালে আয়েশা সিদ্দিকীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মালিক। ২০১০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। একই বছর ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে বিয়ে করেন মালিক। উভয় পক্ষের সম্মতিতে ২০২৩ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারি পাকিস্তানের মডেল সানা জাভেদকে বিয়ে করেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার। এরই মধ্যে দেশটির বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, পাকিস্তানি অভিনেত্রী ভানিজা সাত্তারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। তবে এই খবরকে ভিত্তিহীন এবং মনগড়া বলে উড়িয়ে দিলেন মালিক। একই সঙ্গে বর্তমান স্ত্রী সানাকে নিয়ে ট্রল করায় ক্ষুব্ধ তিনি।
এক বার্তায় মালিক লিখেছেন, ‘২০২৩ সালের শুরুতে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আমার প্রথম বিবাহের ইতি ঘটে। আমরা সিদ্ধান্ত নিই, সন্তানের দায়িত্ব দু’জনে মিলেই পালন করব। এর পরই আমি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমি সব সময়ই আমার ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগত রাখার চেষ্টা করেছি—পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে। কিন্তু মনে হচ্ছে, আমার এই নীরবতাকেই অনেকেই সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে আমাকে এমন কিছু মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যাদের আমি কোনো দিন দেখিনি। অনুমতি ছাড়া আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যাচাইহীন গল্প লেখা হয়েছে। এমনকি আমার স্ত্রীকে নিয়েও নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে, যে বিষয়গুলোর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্কই নেই। এটি আমার কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, তা প্রকাশ্যে বলা প্রয়োজন। কারণ, আমার ছেলে এখন এমন বয়সে পৌঁছেছে, যেখানে সে এসব মিথ্যা ও বানানো খবর পড়তে পারে। কয়েকটি লাইক ও ভিউয়ের জন্য ছড়ানো এই ভিত্তিহীন অভিযোগ আমার প্রিয় মানুষদের কষ্ট দিচ্ছে।’
মিথ্যা খবর প্রকাশ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়ে রাখলেন মালিক, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করছি—আমার ব্যক্তিগত জীবন বা অন্য কারও জীবন নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন। একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে আমি জানি, সমর্থনের সঙ্গে সমালোচনাও আসে। কিন্তু তারও একটি সীমা আছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করা বা কারও সম্মান ক্ষুণ্ন করা সেই সীমা অতিক্রম করে। দায়িত্বশীল আচরণ করুন। জীবন কেবল কয়েকটি লাইক আর ভিউয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমারও আপনাদের মতো একটি পরিবার আছে। আমি আশা করি, এই বার্তাটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হবে এবং আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুমান ও ঠাট্টা-বিদ্রূপ বন্ধ হবে। অন্যথায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমার টিম কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।’



Post Comment