“শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঘরে ঘরে হাত পাখার দুর্গ গড়ে তুলুন” হিজলার গণসমাবেশে বক্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে গত ১২ই জানুয়ারি কাউরিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারি মহাসচিব ও বরিশাল জেলা সভাপতি সৈয়দ এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত জাতীয়ভাবে কোন ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। বারবার প্রলোভন দেখালেও বড় দলগুলোর সাথে জোট করে ক্ষমতার সিড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। মানুষের অধিকার আদায়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সকল হুমকি-ধমকি জেল জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে সোচ্চার ছিল। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের আমীর বারবার হুংকার দিয়ে তাদের বুকে কম্পন তৈরি করে রেখেছিলেন। সর্বশেষ জুলাই আগস্টের বিপ্লবে ছাত্রদের সাথে শুরু থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করেছে, আমাদের বহু নেতাকর্মী হতাহত হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পুলিশের গুলির গুলি উপেক্ষা করে আমরা রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছি।
আমাদের এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে। আর এই স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য নতুন করে কোন পরীক্ষিত দুর্নীতিবাজ দখলদার লুটেরা চাঁদাবাজ খুনি ও জুলুমবাজদেরকে আমাদের সমর্থন কিংবা সহযোগিতার মাধ্যমে ক্ষমতায় নেয়া যাবে না। ইসলামি হুকুমাত বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে দাওয়াত দিতে হবে। জাতিকে সচেতন করার মাধ্যমে যদি ইসলামী চেতনার পক্ষে শক্ত অবস্থান তৈরি করা যায়, তবে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন দুর্নীতি, দখলদারী, চাঁদাবাজি, হত্যা, ধর্ষণ এই বাংলাদেশে আর থাকবেনা ইনশাআল্লাহ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের চিন্তা বাদ দিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এ পর্যন্ত কোন কার্যক্রম করেনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি পরীক্ষিত মানবতাবাদী সংগঠন।
তিনি বলেন স্বাধীনতার পরিপূর্ণ সুবিধা ভোগ করতে হলে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে হবে। আর ইসলামপন্থীদের ক্ষমতায়নে বারবার পরীক্ষিত নেতা গণমানুষের বন্ধু পীর সাহেব চরমোনাই এর বিকল্প নাই। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীরের হাতকে শক্তিশালী করুন। ঘরে ঘরে হাতপাখার দুর্গ গড়ে তুলুন।
সৈয়দ মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও মাওলানা মাসউদুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ও বরিশাল জেলা সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সংগঠনের উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাকছুদ এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন কালামসহ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ।
Post Comment