শেখ হাসিনাকে আসামী করে বরিশালে হত্যাচেষ্টা মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়েগত ১৯ জুলাই বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ ৫৫৭ জনকে আসামী করে এজাহার জমা দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে মামলার বাদী জিয়া উদ্দিন সিকদার কোতোয়ালী মডেল থানায় এজাহার জমা দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। মামলায় নামধারী ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো এক হাজার জনকে আসামী করা হয়। আসামীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন : সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামিম, সাবেক সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, সাবেক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদেক আব্দুল্লাহ, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ.কে.এম জাহাঙ্গীর, রইজ আহম্মেদ মান্না, নিরব হোসেন টুটুল, রফিকুল ইসলাম খোকন ওরফে মামা খোকন, কাউন্সিলর সামছুদ্দোহা আবিদ, আতিকুল্লাহ মুনিম, রাজিব হোসেন খান, ফরচুন সু’র চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, হাসান মাহমুদ বাবু (গ্যাষ্টিক বাবু), তারিক বিন ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর সামজিদুল কবির বাবু, অসিম দেওয়ান, আশিক আব্দুল্লাহ ও তার ভাই মঈন আব্দুল্লাহ, সাবেক কাউন্সিলর আউয়াল মোল্লা, সাবেক কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনি, মঈন তুষার, সাবেক কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, সাবেক কাউন্সিলর এনামূল হক বাহার, সাবেক কাউন্সিলর ইমরান মোল্লা, সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ, সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক মাসুমসহ ৫৫৭ জন। মামলার বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান দখিনের প্রতিবেদন কে বলেন, বাদী জিয়া উদ্দিন সিকদার মামলার এজাহার জমা দিয়েছেন। এজাহার পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে মামলা রুজুর বিষয়ে। এ জন্য সময়ের প্রয়োজন।
উল্লেখ্য গেল ১৯ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে একাত্মত্তা প্রকাশ করে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় মিছিলে বাধা দিয়ে হামলা চালায় মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। জিয়া উদ্দিন সিকদারকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ঘটনার পর জিয়া সিকদার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করলে জিয়াকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। ৫ আগস্টের পর জিয়া মুক্ত হন।
কপিরাইট :দখিনের প্রতিবেদন
Post Comment