Loading Now

বরিশালসহ দেশের ৪ বিভাগ ও ১২ জেলায় শৈত্য প্রবাহ, শীতজনিত রোগ মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেক্স ।।

ক্রমান্বয়ে শৈত্য প্রবাহের বিস্তৃতি বাড়ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই শৈত্য প্রবাহ আজও বইছে। বুধবার দেশের ৪টি বিভাগ ও ১২টি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়নগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর এবং কুমিল্লা জেলাসহ রাজশাহী, রংপুর, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। আজ বুধবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

এছাড়া বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁ জেলার বদলগাছীতে ৬. ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, শীত মৌসুমে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে বলেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়াপ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক নির্দেশনায় শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলকভাবে বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করার জন্যও বলা হয়েছে।
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক এলাকায় ৫০ থেকে ১০০ মিটারের বেশি দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে সড়ক ও নৌপথের যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও।

শীতজনিত রোগ মোকাবিলায় জরুরি নির্দেশনা
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় শীত মৌসুমে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও অন্যান্য শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালে জরুরি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, হাসপাতালের যেসব ভাঙা স্থান দিয়ে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করছে, সেগুলো দ্রুত মেরামত ও সংস্কার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ছাড়া ভর্তি রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় কম্বল ও মশারি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শীতকালীন রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলকভাবে বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

 

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED