কীর্তনে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার বাকপ্রতিবন্ধী নারী
ভোলা প্রতিনিধি ।।
ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক সন্তানের জননী ও বাকপ্রতিবন্ধী এক নারী। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
ভুক্তভোগী নারীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সে বাকপ্রতিবন্ধী নারী একসন্তানের জননী। তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান।
রাত ৯টার দিকে স্থানীয় অটোরিকশা চালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোতে তুলে নিয়ে যায়। অটোরিকশাটি কীর্তনের নিকটস্থ ধোপাবাড়ির দরজায় পৌঁছালে সেখানে তিনজন মিলে ভুক্তভোগী নারীর মুখ চেপে ধরে সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে একের পর এক পালাক্রমে রাতভর ধর্ষণ করে।
শেষ রাতে চেতনা ফিরলে আহাজারি করতে শুরু করেনে ভুক্তভোগী নারী। এসময় তাকে ফেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
তজুমদ্দিন হাসপাতালের আরএমও ডা. সামছুল আলম সোহেল বলেন, ধর্ষণের শিকার যুবতীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে আসলে তখনও তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে রক্তমাখা জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



Post Comment