Loading Now

পটুয়াখালীতে গ্রামপুলিশ নিয়োগে ইউএনও-ওসির নামে ঘুষ গ্রহণ, ইউপি চেয়ারম্যানকে শোকজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রামপুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হলেন- কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নের হাফেজ আব্দুর রহিম। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি খালি গায়ে লুঙ্গি পরা অবস্থায় বসে আছেন এবং ভিডিওর অপর প্রান্তে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার একটি বান্ডিল নিচ্ছেন।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ডে তিনি নিজে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থাকবেন। এ ছাড়া আরও তিন-চারজন সদস্য রয়েছেন। একই সঙ্গে ইউএনও কার্যালয়ের ক্লার্ক বশার ও মামুনকেও টাকা দিতে হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুলাসার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তালিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ঘুষ হিসেবে ওই টাকা নেওয়া হয়েছিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম বলেন, তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে একজন গ্রামপুলিশ চাকরিপ্রত্যাশী তার কাছে টাকা রেখে গেছেন। পরে তিনি সেই টাকা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে জামানত হিসেবে রেখেছিলেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাকরি না হওয়ায় পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় নিয়োগ বোর্ডের অন্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে একটি মিটিংয়ে ছিলেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ বলেন, ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না এবং শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED