জিয়া পরিবার দেশের আশীর্বাদ স্বরূপ
এলবার্ট রিপন বল্লভ ।।
জন্মভুমি ও সময়ের প্রয়োজনে একজন দেশপ্রেমিক মেজর জিয়া ৭১ এর ২৬ মার্চ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ভাবে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন পরবর্তীতে রণাঙ্গনে স্বশরীরে জন্মভূমিকে মুক্ত করতে যুদ্ধ করেন এবং যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ব্যারাকে ফিরে যান আবার ৭৫ সালে দেশ ও জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে সততার সহিত কাজ করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটায় কিন্তু ৮১ সালের ৩০ মেয়ে আমাদের বিপ্লবী মেজর জিয়াউর রহমান কে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে শহীদ হতে হয়। এরপর দেশপ্রেমিক একজন মেজর ও প্রেসিডেন্ট এর বিধবা সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া বালক দুই সন্তানকে নিয়ে কিভাবে গৃহবধূ থেকে আপসহীন দেশনেত্রী থেকে কিংবদন্তি নেত্রী তে পরিণত হয় সেই সংগ্রামী ইতিহাস আমাদের সকলের জানা। এরপর জিয়া পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে তারুণ্যর অহংকার তারেক রহমান মায়ের পাশে থেকে পিতার প্রতিষ্ঠিত দল কে সুসংঘটিত করে দেশের কাজে লাগাতে দিনরাত পরিশ্রম করে।দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করে কিন্তু দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়া পুত্র তারেক রহমানের উপর প্রতিহিংসা স্বরূপ অত্যাচার নির্যাতন যেটা হয়েছে নির্মমতার দিক থেকে হারাম চেঙ্গিস খানের বর্বরতাকে হার মানায়। যাইহোক আমৃত্যু দেশের গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার এ-র সংগ্রাম করতে করতে দেশনেত্রী ২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিজয়ের মাসে প্রয়াত হন।এরপর পিতা মাতার সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে এবং একজন দেশ প্রেমিক দায়িত্বশীল নাগরিক ও দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে দল দেশ ও সময়ের প্রয়োজনে ২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বায়িত্বে আসে আমাদের রাখাল রাজা শহীদ জিয়া পুত্র তারেক রহমান এসেই তার স্ত্রী কন্যা সহ পরিবারের সকলে মিলে অহংকারহীন হৃদয় নিয়ে দেশের সেবায় যার যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছে। এই পরিবারের উপর বিগত দিনে যে অত্যাচার নির্যাতন হয়েছিল সেই বিষয়ে প্রতিহিংসা মূলক কোন আচরণ না করে বরং কিভাবে বাংলাদেশের একজন দায়িত্বশীল মানবিক প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় সেই চেষ্টায় জনাব তারেক রহমান ও তার পরিবার করে যাচ্ছে অতএব জিয়া পরিবার আমাদের বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে একটি আশীর্বাদিত পরিবার। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে নাতনী জাইমা রহমান পযন্ত প্রত্যেকের মধ্যে ভদ্রতা বিনয়ী নিরঅহংকারী এবং কথা কম বলে কাজ বেশি করার বিশেষ লক্ষণ ধারাবাহিকভাবে দেখা যায়।
লেখক: আহবায়ক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্ট, বরিশাল মহানগর।



Post Comment