গৌরনদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে কাজলকে দেখতে চান এলাকাবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
দেশব্যাপী শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন জানান দিতে না দিতেই নড়েচড়ে বসেছে স্ব স্ব এলাকার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভাইসচেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সারাদেশের ন্যায় বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এর নিজ এলাকায়ও বেশ জোরেশোরে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই আসনে রয়েছে দুটি উপজেলা। একটি আগৈলঝাড়া ও অপরটি গৌরনদী উপজেলা। আর গৌরনদী উপজেলারই বাসিন্দা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিজেই। ফলে এ আসনে সর্বজনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য কর্মী বান্ধব নেতাই হবেন আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী। এখানে একাধিক প্রার্থী থাকলেও দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত কারা বরনারী ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত নেতা হিসেবে ভদ্র নম্র বিনয়ী মার্জিত কর্মী বান্ধব গণমানুষের হৃদয়ের স্পন্দন উপজেলাবাসীর আস্থার বাতিঘর একমাত্র রফিকুল ইসলাম কাজল একাই। পাশাপাশি প্রিয় নেতা মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনেরও সুদৃষ্টি রয়েছে তারই দিকে বলে জানান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও দলীয় একাধিক সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন হওয়ার সময় রফিকুল ইসলাম কাজল ছিলেন সদস্য সচিব পদে একজন প্রার্থী। নেতা জহির উদ্দিন স্বপন ও দলের প্রতি আনুগত্য থাকায় তিনি কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়েও আওয়ামী সরকার পতনের আন্দোলনে কাজলের ভূমিকা ছিলো প্রশংসনীয়। নিজ এলাকা গৌরনদী ও বরিশালের রাজপথে নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতেন রফিকুল ইসলাম কাজল। নেতাকর্মীদের সুখ দুঃখে পাশে থাকা একমাত্র রফিকুল ইসলাম কাজলেরই দলের ক্ষতি কিংবা বদনাম হয় এমন কোনো কর্মকান্ডে জড়িত হন নাই। গৌরনদী উপজেলায় আপাদমস্তক ক্লিন ইমেজের একমাত্র উত্তর জেলা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম কাজল যাহাতে গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন এজন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি উপজেলার সাধারণ মানুষেরও তার প্রতি চাপ রয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে রফিকুল ইসলাম কাজলের বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। বিএনপি নেতাকর্মী সহ উপজেলাবাসীর আস্থার বাতিঘর হচ্ছে রফিকুল ইসলাম কাজল। তারা আরও বলেন, উপজেলাবাসীর খেদমত করা ও দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা একমাত্র নেতাই হচ্ছেন রফিকুল ইসলাম কাজল। তিনি দলীয় মনোনয়নে পেয়ে নির্বাচিত হলে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে স্থানীয় বিএনপি। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বেগবান হওয়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের ভাগ্যন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, আমি সারাজীবন জনতার কাতারে থেকে জনগণের ভাগ্যান্নয়নে কাজ করেছি। রাজনৈতিক জীবনে কোনো দিন দলকে ফাঁকি দিয়ে রাজনীতি করি নাই। নিজ এলাকায় অবস্থান করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলীয় সব কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছি। নেতাকর্মীদের ফেলে অন্য কোথাও অবস্থান করিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাননীয় মন্ত্রী জনাব জহির উদ্দিন স্বপন সাহেব আমার অভিভাবক রাজনৈতিক জীবনে কখনও তাঁর কথার বাহিরে যাইনি। আশা করি আমার অতীত কর্মকান্ড বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন পেতে তিনি আমাকে সহযোগিতা করবেন বলে আমার বিশ্বাস।



Post Comment