Loading Now

নারী সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে আলোচনায় বরিশাল বিএনপির নাসরীন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আফরোজা খানম নাসরীন,বরিশাল বিএনপির রাজনীতির এক পরিচিত ও সংগ্রামী মুখ। সুদীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষে থেকে তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা ও বরিশালে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। এক সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর জন্য তিনি ছিলেন এক দৃশ্যমান আতঙ্ক বিশেষ করে বরিশালের মাঠ রাজনীতিতে।বরিশালের বাঘা বাঘা নেতারা যখন পুলিশের ভয়ে মাঠে নামতো না তখনও নাসরিনের আন্দোলন ছিল আরও গতিশীল ও শক্তিশালী। তাঁর উপস্থিতি রাজপথে এনে দিয়েছিল গতি, সাহস এবং সংগঠনের দৃঢ়তা।তবে রাজনীতির জটিল কৌশল, অভ্যন্তরীণ সমীকরণ এবং সময়ের পরিবর্তনে নাসরিনকে দল কর্তৃক মুল্যায়নের সময় এসেছে।তাঁর অবদান, ত্যাগ এবং নেতৃত্বের স্মৃতি বরিশালের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা সহজে মুছে যাওয়ার নয়।দলের
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষনা ছিলো ত্যাগীদের মুল্যায়ন করা হবে। তাই নাসরীনকে মুল্যায়নের এখনই সময় বলে মনে করেন তার সতীর্থ রাজনীতিকরা।
মুলত বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে নাসরীনের রয়েছে ৩৬ বছরের ক্যারিয়ার,বিএম কলেজ বনমালী গাঙ্গুলি ছাত্রী নিবাসের ছাত্রদলের সভাপতি থেকে মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক (সাধারন সম্পাদক পদমর্যাদা) থেকে মহানগর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পরবর্তীতে মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং বর্তমানে ১ নং যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে বরিশালে মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন।আওয়ামী আমলে নাসরীন ৫৬ টি মামলা ও ১০ বারেরও অধিক জেল খেটেছেন। পুলিশের নির্মম নির্যাতনে নাসরীনের কোমড় ভেঙ্গে দেয়া হলেও দমে যান নি নাসরীন। তিনি আওয়ামী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যান।জানা গেছে নাসরীন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দল কর্তৃক মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু দল থেকে সংসদ সদস্য পদে মনোনীত করা হয় অন্য ব্যক্তিকে তবুও নাসরীন বিদ্রোহী প্রার্থী হননি। এরপরে মহিলা সংরক্ষিত আসনে বরিশাল থেকে যতজন বর্তমানে মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাপ করছেন তাদের মধ্যে নাসরীন সবচেয়ে যোগ্যতা সম্পন্ন।এখন দেখার বিষয় দল কি করে। যদি তারেক রহমান তার পুর্ব কমিটমেন্ট বাস্তবায়ন করে তাহলে এই সংসদেই দেখা যাবে আফরোজা খানম নাসরীনকে এমনটাই মনে করেন বরিশালের কর্মী সমর্থকরা।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED