Loading Now

বরিশালে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গণপিটুনিতে নিহত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

নগরীর ধান গবেষনা রোডে গতকাল রাতে গনপিটুনিতে ধর্ষন চেস্টার আসামি সুজন (২৪) নামের এক যুবক গনপিটুনিতে মারা গেছে। বরিশাল কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো মিজানুর রহমান জানান ভিক্টিম শিশুর মা শিলা বেগম বাদি হয়ে ১৫ মার্চ দুপুরে বরিশাল কোতয়ালী থানায় এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন যে সুজন নামের এক যুবক তার শিশু কন্যাকে চকলেট কিনে দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষনের চেস্টা করে ব্যর্থ হয়। এ সময় শিশুটি বাসায় এসে পরিবারের সদস্যদের কাছে সব খুলে বলে। পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ্য শিশুটিকে শেবাচিম হাসপাতাল (ওসিসি) ভর্তি করেন এবং শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

কোতোয়ালী থানা কর্তৃপক্ষ এফ আই আর নং-৩০, তারিখ ১৫-০৩-২০২৫। জি আর ১৫৯/২৯২৫। ধারা ৯ (১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী ২০২০). মামলা হিসেবে দায়ের করেন।

ঘটনার পর পরই সুজন পালিয়ে যায়। শনিবার ইফতারের সময় তাকে এলাকায় দেখা গেলে স্থানীয় লোকজন ধরে গনপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে গাছের সাথে বেধে বেধরক মারধর করে এলাকাবাসী। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে রাত সোয়া ৮ টায় তার মৃত্যু হয়। সুজন নগরীর ধান গবেষনা রোড এলাকার জিয়া নগরের স্টাফ নার্স হাসিনার বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার পিতার নাম মনির হোসেন।

নিহতের ছোট ভাই আকাশ হাওলাদার জানান, তার ভাই নেশাগ্রস্থ এবং প্রায়ই বাসায় ঝামেলা করার কারণে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো। তার দাবী তার ভাইকে ষড়যন্ত্র করে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

সুজনের মায়ের দাবি: পরিকল্পিত হত্যা
সুজনের মা মঞ্জু বেগম দাবি করেন, তার ছেলে নির্দোষ। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি মাদক বিক্রির জন্য সুজনকে চাপ দিচ্ছিল, কিন্তু রাজি না হওয়ায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ঘটনার পর কিছু লোক আমাদের কাছে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেয়। আমরা রাজি হইনি। এরপর স্থানীয় বাধন, বাচ্চু, স্বর্ণা ও সাদ্দামসহ ১০-১৫ জন মিলে আমার ছেলেকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করেছে। ”

তিনি সন্তান হত্যার সঠিক বিচার দাবি করেন।

Post Comment

YOU MAY HAVE MISSED