বরিশালের অব্যবহৃত শিশু হাসপাতালটি দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শহরের আমানতগঞ্জ টিবির মাঠে নির্মিত এই হাসপাতালটি বেশকিছু দিন ধরে অলস পড়ে থাকা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্র-পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়। সেই সংবাদটি খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয় এবং তিনি শিগগিরই হাসপাতালটি চালু করার নির্দেশ দেন। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত আরও ৫ শিশু হাসপাতাল চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, পত্রিকায় প্রকাশিত এমন খবর পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন দ্রুত বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানের এই অব্যবহৃত ৬টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে চালু করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আগামী ২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
আমানতগঞ্জ এলাকায় শিশুদের জন্য বিশেষায়িত ২০০ শয্যার এই হাসপাতাল নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্রায় ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা হাসপাতালটির কার্যক্রম ২০১৯ সালেই চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
তবে সপ্তাহ দুয়েক পূর্বে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি সেই সময় সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন, হাসপাতালটি সপ্তাহখানেকের মধ্যে চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে পত্র-পত্রিকায় ইতিবাচক লেখালেখিও হয়।
সেই হাসপাতালটি এবার দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিলেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। রোববার রাতের জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ইতিবাচক এবং সময়যোগী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বরিশালবাসী।
















