বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
অভিনয়ের জন্য যা করতে দ্বিধা করেননি দীপিকা ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ ৫ আগস্ট উপলক্ষে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০ সোনা এখনই কিনবেন না অপেক্ষা করবেন? নজর রাখবেন যেদিকে গণঅভ্যুত্থানের সফলতাকে কুক্ষীগত করার অপচেষ্টাকারীরা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু : রহমাতুল্লাহ বাগেরহাটে ঘরে পড়েছিল মা-ছেলে-নানির গলিত লাশ, পুলিশের ধারণা ‘হত্যাকাণ্ড’ সারা দিন ত্বক মসৃণ ও কোমল রাখবেন যেভাবে বিএনপির দুই পক্ষে দ্বন্দ্ব: চরকাউয়ার ৬ রুটে বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে মানুষ

পড়ে যাওয়া দাঁত প্রতিস্থাপনে কী করবেন

/ ৫১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স ।।

অনেকেরই বিভিন্ন কারণে ডেন্টাল ক্যারিজ হয়ে দাঁত এমন ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে তখন চাইলেও আর ওই দাঁত রক্ষা করা সম্ভব হয় না। মাড়ির অসুখ, যেমন– জিনজিভাইটিস বা পেরিওডোন্টাইটিস হয়ে দাঁত পড়ে যেতে পারে। এখন ওই ক্ষেত্রে হারানো দাঁত প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।

একটা দাঁত না থাকলে সেখানে অনেক রকমের সমস্যার সৃষ্টি হয়। যেমন– পাশের দাঁতগুলো বাঁকা হয়ে সরে যাওয়া, একটা সময় পরে দাঁতগুলোর মধ্যে ফাঁকা সৃষ্টি হয়ে যাওয়া, যে দাঁতটি থাকে না তা করেসপন্ডিং ওপরের দাঁত না থাকলে নিচের দাঁতটি অথবা নিচের দাঁত না থাকলে ওপরের দাঁত নিচের দিকে নেমে যাওয়া, চোয়ালের হাড় (অ্যালভিওলার রিজ) ক্ষয় হয়ে যাওয়া, ভার্টিকাল হাইট (ওপরের ও নিচের চোয়ালের আনুপাতিকভাবে উচ্চতা) কমে যাওয়া। এ রকম আরও অনেক সমস্যা তৈরি হয়।

 

দাঁত বাঁধানো পদ্ধতিতে একসময় নকল দাঁত বসানো (ডেনচার) হতো, যেটি রিমুভেবল পার্শিয়াল ডেনচার নামে পরিচিত। রোগী নিজেই আলগা দাঁতটি খুলতে ও লাগাতে পারেন এমন পদ্ধতিই চালু ছিল। পরে ডেন্টাল ক্রাউন (ক্যাপ) ও ব্রিজ করে ফিক্সড দাঁত বাঁধাই বা স্থায়ীভাবে হারিয়ে যাওয়া দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি হলো ডেন্টাল ইমপ্লান্ট। এর অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন ডেন্টাল ইমপ্লান্ট পদ্ধতি হুবহু আসল দাঁতের মতো দেখতে এবং ব্যবহার পদ্ধতিও একই।

ইমপ্লান্ট পদ্ধতিতে অন্য দাঁতগুলোকে সাপোর্টের প্রয়োজন পড়ে না। তাই অন্য দাঁতগুলোকে বিনা স্পর্শেই হারানো দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়, যা ব্রিজ পদ্ধতিতে করা যায় না। ইমপ্লান্ট একটি স্থায়ী পদ্ধতি। তাই বারবার পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। সাধারণত সারাজীবনই ব্যবহার করা যায়। অনেকেই ডেনচার ব্যবহার করলে পরিষ্কারভাবে কথা বলতে পারেন না, খেতে অসুবিধা হয়, যা ইমপ্লান্টে হয় না। এ পদ্ধতিতে পাশের দাঁতগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

 

কারা ইমপ্লান্ট করতে পারবেন: একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের প্রত্যেকেই হারানো দাঁত প্রতিস্থাপনের জন্য ইমপ্লান্ট করাতে পারবেন। তবে যারা মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখতে পারেন না, ওরাল হাইজিন যাদের ভালো নয়, যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকে বেশির ভাগ সময়েই, যারা হার্টের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন, যারা চেইন স্মোকার, রক্ত তরলকারক ওষুধ যারা সেবন করেন, যেমন অ্যাসপিরিন, ক্লোপিডোগ্রেল ইত্যাদি তাদের জন্য ইমপ্লান্ট না করাই শ্রেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com