বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
অভিনয়ের জন্য যা করতে দ্বিধা করেননি দীপিকা ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ ৫ আগস্ট উপলক্ষে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত পটুয়াখালীতে গণঅধিকার পরিষদের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০ সোনা এখনই কিনবেন না অপেক্ষা করবেন? নজর রাখবেন যেদিকে গণঅভ্যুত্থানের সফলতাকে কুক্ষীগত করার অপচেষ্টাকারীরা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু : রহমাতুল্লাহ বাগেরহাটে ঘরে পড়েছিল মা-ছেলে-নানির গলিত লাশ, পুলিশের ধারণা ‘হত্যাকাণ্ড’ সারা দিন ত্বক মসৃণ ও কোমল রাখবেন যেভাবে বিএনপির দুই পক্ষে দ্বন্দ্ব: চরকাউয়ার ৬ রুটে বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে মানুষ

সংকটে বরিশাল কর অঞ্চলের রাজস্ব!

/ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

বরিশাল কর অঞ্চলে রাজস্ব আয় আগের তুলনায় কমেছে। পায়রা বন্দরের আয় কমায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৩- ২৪ অর্থবছরে পায়রা বন্দরকেন্দ্রিক ঘাটতির পরিমাণ ২৪৪ কোটি টাকা। এ অবস্থায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না কর অঞ্চল বরিশাল। এদিকে ২০২৪ সালের পরে পায়রা বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যা কমে যাওয়ায় রাজস্ব কমেছে বলে জানান পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা নিয়ে বরিশাল কর অঞ্চল গঠিত। ২০০১-২০০২ অর্থবছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো মাত্র ২৩ কোটি টাকা। আর বর্তমানে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৯৩০ কোটি টাকা।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ১ হাজার ৭১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। কিন্তু ২০২৪–২৫ অর্থবছরে তা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৮৫০ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। এই দুই অর্থবছরেই হ্রাস পেয়েছে ২২০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বরিশালের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতির পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা। পায়রা বন্দর থেকে আয় কমে যাওয়ায় ঘাটতির পরিমাণ বেড়েছে বলে জানান এন বি আরের এ কর্মকর্তা।

বরিশালের উপ-কর কমিশনার প্রীতিশ বিশ্বাস বলেন, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে আমাদের লক্ষ্যটা যে রাজস্ব আদায় হয়েছে তা মূলত পায়রা বন্দর থেকে। আর তা বর্তমানে সেখান থেকে রাজস্ব আদায় বন্ধ।

পায়রা বন্দরের নির্মাণ কাজ ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর শুরু হয়ে ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিক পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম অর্থবছরে ১০টি বিদেশি জাহাজ আসে পায়রা বন্দরে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বিদেশি জাহাজের সংখ্যা ছিলো ১২৩টি। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আসে ৮৫টি বিদেশি জাহাজ। যার কারণে কমেছে পায়রা বন্দরের আয়।

পায়রা বন্দর ট্রাফিক উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, বন্দরের কার্যক্রম যখন বেশি থাকে তখন বন্দরের আয়ও বেশি থাকে, আর এন বি আরের আয়ও বেশি থাকে।

২০২৫-২৬ এ এপ্রিল পর্যন্ত বিদেশি জাহাজ এসেছে মাত্র ২৯টি। বন্দরের আয় কমে যাওয়ায় বরিশাল কর অঞ্চলের আয়ও কমে গেছে বলে জানান পায়রা বন্দরের ঊর্ধ্বতন এ কর্মকর্তা।

পায়রা বন্দরের সদস্য কমডোর জামাল চৌধুরী বলেন, পায়রা বন্দর তার পূর্ণ নাব্যতার মধ্যে ছিলো। তখন আমরা রাজস্বতে অনেক অবদান রাখতে পেরেছি। বর্তমানে নাব্যতা কমে যাওয়ার ফলে এখানে জাহাজ আসাও কমে গিয়েছে তাই এন বি আরের রাজস্বতেও আমাদের অংশ কমে গেলো। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে পায়রা বন্দর থেকে আয় হয়েছিলো ২৫৯ কোটি ৪ লাখ টাকা। আর ২০২৪-২৫ এ আয় হয় মাত্র ১৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com