সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
Logo

বিশ্বকাপ :কানাডায় ভিসা পেয়েছেন মাত্র ৪৫ বাংলাদেশি, ৮৪ শতাংশ আবেদনই বাতিল

/ ২১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

স্পোর্টস ডেক্স ।।

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে কানাডা যাওয়ার স্বপ্ন ছিল বহু বাংলাদেশি দর্শকের। তবে তাদের সেই স্বপ্নে বড় ধাক্কা লেগেছে। ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার জন্য বেশিরভাগ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনই বাতিল করে দিয়েছে দেশটি। সম্প্রতি কানাডা সরকারের প্রকাশিত তথ্যে এই হতাশাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে।

বাংলাদেশিদের বিশাল ধাক্কা
ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে মোট ২৮৫ জন ফুটবল অনুরাগী কানাডায় বিশ্বকাপ দেখার উদ্দেশ্যে ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৪৫ জনের আবেদন অনুমোদন পেয়েছে। অর্থাৎ বাকি ২৪০ জনের আবেদনই নাকচ করা হয়েছে। শতাংশের হিসাবে প্রায় ৮৪ দশমিক ২১ শতাংশ বাংলাদেশির আবেদনই বাতিল হয়ে গেছে।

ভিসা মেলেনি অর্ধেকেরই
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার ফুটবল ভক্ত কানাডা ভ্রমণের আবেদন করেছিলেন। তবে তাদের অর্ধেকেরও বেশি দর্শক দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি পাননি।

গত বছরের ১৪ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে আইআরসিসি জানায়, এই সময়ে ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে প্রায় ১৭ হাজার আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে মাত্র ৪১ শতাংশ ফুটবল ভক্তকে কানাডায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫৯ শতাংশ আবেদনই বাতিল করা হয়েছে।

ঘানা ও কলম্বিয়ার বিপরীত চিত্র
সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল আফ্রিকার দেশ ঘানা থেকে। ঘানার ফুটবল ভক্তদের কাছ থেকে কমপক্ষে ১ হাজার ৭২৫টি আবেদন প্রক্রিয়াজাত করা হয়। তবে তার মধ্যে মাত্র ১১ শতাংশের কম অনুমোদন পেয়েছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার ক্ষেত্রে চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। চলতি বিশ্বকাপে কানাডার মাটিতে কলম্বিয়ার কোনো ম্যাচ না থাকলেও তাদের ১ হাজার ৬৩০টি আবেদনের মধ্যে ৬৯ শতাংশই অনুমোদন পেয়েছে।

ইটিএ ও ভিসার নিয়মে কড়াকড়ি
কানাডায় প্রবেশের জন্য সাধারণত টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা (টিআরভি) অথবা ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) এর প্রয়োজন হয়। যেসব দেশের নাগরিকদের শুধু অনলাইনভিত্তিক ইটিএ হলেই চলে, তাদের আবেদনের ৯৬ শতাংশই অনুমোদিত হয়েছে। যেমন অস্ট্রেলিয়া বা জার্মানির মতো দেশের সব আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশসহ যেসব দেশের নাগরিকদের নিয়মিত ভিসা নিতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে অনুমোদনের হার ছিল মাত্র ৩২ শতাংশ। এমনকি সিরিয়া, উগান্ডা ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোর সব আবেদনই বাতিল করা হয়েছে। ভিসা পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল এবং ভ্রমণ পরিকল্পনার মতো কঠোর তথ্যাদি প্রমাণ করতে হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com