নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশাল মহানগর বিএনপির আয়োজনে ঈদে মিলাদুননবী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মোনাজাত কর্মসূচি পালন নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ২৬ আগষ্ট সন্ধ্যায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে উক্ত কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে মজার বিষয় হলো আয়োজক হিসেবে কর্মসূচির ব্যানারে মহানগর বিএনপির নাম উল্লেখ করা হলেও কে সভাপতিত্বে রয়েছেন তার কোন কিছুই ব্যানারে ছিল না। সভাপতি বিহীন একটি সভার সাংগঠনিকভাবে স্বীকৃতি পায় কিনা এমন প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মুখে মুখে। উক্ত কর্মসূচিতে সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার উপস্থিত ছিলেন না এবং ব্যানারে তার নামও ছিলো না।ব্যানারে দেখা যায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক,এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ন আহবায়কবৃন্দ বলে ব্যানার লেখা ছিলো।আলাপকালে সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার জানান,তিনি বরিশালের বাহিরে রয়েছেন এবং কর্মসূচি সম্পর্কে মন্তব্য করতে চান নি তিনি।
তবে নগর বিএনপির একাধিক সুত্রের দাবী উক্ত কর্মসূচীটি আহবায়কের ইচ্ছায় হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে হয়েছে। আবার কেউ বলছেন সদস্যসচিব না থাকায় কেউ কেউ সংক্ষুব্ধ হয়েছেন।মহানগর বিএনপির মধ্যে এমনিতেই গ্রুপিংয়ের শেষ নেই সেখানে কর্মসূচিটি সদস্যসচিব কে বাদ দিয়ে যুগ্ন আহবায়কদের নিয়ে শোডাউন ও হতে পারে। তবে ব্যানারে সভাপতির নাম না থাকায় কর্মসূচি পালন সঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির এক নেতা।তিনি বলেন সভাপতি ছাড়া আবার কর্মসূচি হয় কি ভাবে?
এ প্রসঙ্গে জানতে কর্মসূচীতে উপস্থিত মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আবু মুসা কাজলকে কল করা হলে তিনি জানান,আমি শেষে গিয়েছি, কর্মসূচীর ব্যানারে কি লেখা ছিলো সেটা খেয়াল করিনি,বিস্তারিত জানতে আহ্বায়কের সাথে কথা বলতে বলেন এই নেতা।
তবে নগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক জসিম উদ্দিন খান বলেন কর্মসূচিটি তাৎক্ষণিকভাবে পালন করা হয়েছে। নগর ওলামা দলের সভাপতি দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেছে। তিনিই সভাপতিত্ব করেছে। তবে তার নাম ব্যানারে উল্লেখ করা হয়নি।এ সময় মহানগর বিএনপির কর্মসূচিতে ওলামা দলের নেতা সভাপতিত্ব করতে পারে কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে যান যুগ্ন আহবায়ক জসিম খান।
তবে এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের মুঠোফোনে কল করা হলেও তার নাম্বারটি ব্যাস্ত পাওয়া যায়।