নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
র্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বরিশালে বিশ্ব এনেস্থেসিয়া দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেস্থেসিওলজিস্টস, ক্রিটিকেল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস (BSA-CCPP), বরিশাল শাখা।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের বরিশাল শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোঃ শফিকুল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক ডা. বদরুদ্দোজা মোঃ জোবায়েদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে বরিশালের এনেস্থেসিওলজিস্টবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় বর্ণাঢ্য র্যালি ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এনেস্থেসিওলজিস্টদের পেশাগত দায়িত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং রোগীদের নিরাপদ এনেস্থেসিয়া সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সভাপতি ডা. মোঃ শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ডা. বদরুদ্দোজা মোঃ জোবায়েদ সকল এনেস্থেসিওলজিস্টকে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার এবং পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে কাজ করার আহ্বান জানান। রোগীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এনেস্থেসিয়া সেবার মান উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের চিকিৎসাসেবায় এনেস্থেসিওলজিস্টরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অস্ত্রোপচারের আগে, চলাকালে ও পরে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের পেশাগত সেবার পারিশ্রমিকের কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে।
সভায় জানানো হয়, প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এনেস্থেসিওলজিস্টরা একই হারে এনেস্থেসিয়া সেবা দিয়ে আসছেন। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্য, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং পেশাগত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘদিনের এই চার্জ বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ পরিস্থিতিতে এনেস্থেসিয়া সেবার চার্জ পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
সভায় আলোচনার পর এনেস্থেসিয়া সেবার চার্জ পুনর্নির্ধারণ এবং তা আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে এনেস্থেসিওলজিস্টদের পেশাগত ঐক্য সুদৃঢ় করা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত এনেস্থেসিয়া সেবা প্রদানের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।