মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাসহ দুজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই বরিশাল নভোথিয়েটারের ১৩ কোটি টাকা বিল তুলে নিল ঠিকাদার নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি বয়সের সঙ্গে বদলায় নারীদের পুষ্টির চাহিদা, কোন বয়সে কী প্রয়োজন? পটুয়াখালী-ভোলাসহ ১০ জেলায় মামলার আগে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের গৌরনদীতে মাদ্রাসার কক্ষ থেকে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাতে মাঝ নদীতে চলন্ত লঞ্চে ওঠার চেষ্টা, ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের

/ ২০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স ।।

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে সরকার আইনগত সংস্কার, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, জরুরি চিকিৎসাসেবা উন্নয়ন এবং পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মদশক (২০২১-২০৩০)-এর বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে নীতিগত, আইনি ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত করা এবং বিশেষ করে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে মহাসড়কে লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ এবং সর্বোত্তম চর্চার আলোকে একটি আধুনিক ও সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আইনটি চূড়ান্ত করে অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তাকে সরকার জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সরকার, বেসরকারি খাত ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

এদিকে আজ জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিতব্য ‘সড়ক নিরাপত্তায় বহুখাতভিত্তিক সমন্বয় জোরদার: সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা সফলভাবে কমিয়ে আনা দেশগুলোর সর্বোত্তম চর্চা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এতে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা, সফল উদ্যোগ এবং সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com