নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
ছিলেন পটুয়াখালীর মহিপুর ইউপি যুবলীগের সহসভাপতি ও বরগুনার বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের দোসর। দীর্ঘ ১৭ বছরে ঐ সকল এলাকার নেতাদের তোষামোদি করা ও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ব্যাপক অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন। তবে ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন হলে তিনি বরিশাল পালিয়ে আসেন। এবং রুপাতলিস্থ গ্যাসটারবাইন এলাকায় বসবাস শুরু করে। পরবর্তীতে চাটুকারিতা করে মিশে যান ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মিন্টু মোল্লা ও ২৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের নেতা হানিফ খানের সাথে। তাদের শেল্টার এ নিজেকে বিএনপি পরিচয় দিয়ে নতুন পরিচয়ে চলতে থাকে আবুল বাসার নামক এই ব্যাক্তি। কিন্তু বিধি বাম।অবশেষে পরিচয় লুকিয়ে বরিশালে আত্মগোপন করা যুবলীগের এই নেতাকে গত ১৯ জুন রাতে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির একটি চৌকস টিম। ঐ সময়ে তাকে ছাড়িয়ে নিতে নগরের ২৪ নং ওয়ার্ডের একাধিক নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে মিন্টু মোল্লা ও হানিফ খান লবিং করলেও কাজ হয়নি। মেট্রো ডিবি এই দোসরকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন সুবিধার বিনিময়ে বরিশাল নগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের বিএনপির নেতারা এরকম বাশারদের স্থান দিচ্ছেন?এতে দলের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাড়াচ্ছে?শুধু এই বাসার নয় ২৪ ও ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির এসকল নেতাদের বিরুদ্ধে বহু ফ্যাসিস্টকে আশ্রয় প্রশ্রয়ের অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন আটক বাশার নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। তারা সরকার বিরোধী মিছিলের সাথে জড়িত।ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের আটক করা হচ্ছে।