নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ এবারো ঈদুল আযহা বা কুরবানী পালন করেছেন অত্যন্ত গোপনে বা গা ঢাকা দিয়ে। তবে বেশ কিছু জনপ্রতিনিধি স্বাভাবিকভাবেই কোরবানী উদযাপন করেছেন। তবে সাধারন কর্মীরা মামলা-হামলার ভয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে তারা নিজ এলাকায় না থেকে ভিন্ন স্থানে বা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করেছেন। নেতাকর্মীদের বেশিরভাগই মামলা ও গ্রেফতারের ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন, যার ফলে প্রথাগতভাবে নিজ এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ তাদের ছিল না। অনেকেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে গিয়ে কুরবানী দিয়েছেন যাতে কেউ তাদের চিনতে না পারে। কেউ কেউ খুব ছোট পরিসরে বা গোপনে পশু কোরবানি দিয়েছেন বরিশাল ১আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা বিদেশে বা ভিন্ন স্থানে অবস্থান করে ঈদ উদযাপন করেছেন, অন্যদিকে তৃণমূলের কর্মীরা চরম সংকটে ও ভয়ে দিন পার করেছেন নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ পলাতক থাকায় বা নিষ্ক্রিয় থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে স্বাভাবিক চিত্র এবার ভিন্ন ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই সময়ে গ্রেফতার হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই নিজ এলাকায় ফিরে ঈদ করেছেন।সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সতন্ত্র বলয় তৈরি করে কাউন্সিলর ও উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন এমনভাবে এগুচ্ছেন নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা জানান,বিভিন্ন মামলায় জামিনে থাকলেও পুলিশের আতঙ্ক ও মবের ভয়ে তারা ঘটা করে কোরবানির ঈদ পালন না করলেও নিজের কর্মীদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন।