বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ৫ বছরে ৬৬ হাজার অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি সেবার মান নিয়ে! এসএসসি পরীক্ষা: বরিশালে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই ইয়াবা কিনতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণধোলাইয়ের শিকার কলেজ কর্মচারী বরগুনায় বাড়ছে ডেঙ্গু, ১৪ দিনে আক্রান্ত ১৮৭ ২০ আগস্ট থেকে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে নৌযান শুমারি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন একাদশে ভর্তিতে বড় পরিবর্তন, থাকছে না মাইগ্রেশন ‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’—শাবনূরের রহস্যময় বার্তা কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৯ জনের আটজনই বাংলাদেশি বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশি টাকায় কত?

পিরোজপুরে মানবপাচার মামলায় পাঁচ জনের কারাদণ্ড

/ ৩১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

পিরোজপুর প্রতিনিধি ।।

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ -এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিরোজপুরের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত থাকায়, তাদের সাজা পরোয়ানা মূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাজা ঘোষণার দিন থেকেই তাদের দণ্ড কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, পলাতক তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের সাজা পরোয়ানা জারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, নারী ও শিশু অপরাধ ট্রাইবুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মানস কুমার বৈরাগী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com