নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
২০২৫ সালের ৬ মার্চ বরিশালে সিভিল সার্জন হিসাবে যোগদান করেছিলেন ডাঃ মনজুর ই এলাহী। গতকাল হঠাৎ করেই তাকে বদলী করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সময় হিসাবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র ১ বছর ৩ মাস। একজন সিভিল সার্জনের জন্য স্বাভাবিকভাবেই এই সময় যথেষ্ট নয়। বিগত সময়ে বরিশালে সিভিল সার্জন হিসাবে দায়িত্ব পালন করা সবাই তার চেয়ে অনেক বেশী সময় ছিলেন। বদলীর আদেশে মাত্র ২ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে তাকে কর্মস্থল ত্যাগ করতে। একই আদেশে নতুন সিভিল সার্জন হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি থাকা ডাঃ মো: মনিরুজ্জামানকে।
বদলী আদেশ এর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বাস্থ্য সেক্টরে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে কেন বদলী করা হলো সিভিল সার্জন ডাঃ মনজুর ই এলাহীকে। বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী বলেন-ভালভাবেই নিজের দায়িত্ব পালন করছিলেন সিভিল সার্জন। বরিশাল বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর বিষয়ে দৌঁড়ঝাপ, জেলার সকল হাসপাতালে খাবারের মান উর্ন্নীতকরণ,দালাল প্রতিরোধ এবং হাসপাতালগুলোর অবকাঠামগত উন্নয়নে নিরলস কাজ করেছেন তিনি। সুতরাং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণ দেখিয়ে তাকে বদলী করার কোন প্রশ্নই আসে না।
আবার অনেকে বলছেন-গত মে মাসে বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দু/একটি বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সে কারনেও তাকে বদলী করা হতে পারে। একটি পক্ষ অবশ্য বলছে তার বদলী সম্পূর্ন রাজনৈতিক।
সিভিল সার্জন ডা: মনজুর ই লাহী বলেন-এত অল্প সময়ে বদলী করাটা প্রত্যাশিত ছিলো না। কোন কারণ আছে কিনা জানা নেই। সরকারের আদেশ তো মানতেই হবে। এতে আমার ব্যত্তিগত কোন সমস্যা নেই। তবে একটু খারাপ লাগছে অনেক কাজ হাতে নিয়েছিলাম তা সব বাস্তবায়ন করে যেতে পারলাম না। যা বরিশালের সাধারন মানুষের অনেক উপকারে আসতো।