রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
Logo

বরিশালে আইনজীবীর বিরুদ্ধে তরুণীর ধর্ষণ মামলা

/ ৮১ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।

বিয়ের নামে প্রতারণা করে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে আইনজীবীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক তরুণী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ওই তরুণী।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহা. রকিবুল ইসলাম অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিকে নির্দেশ দিয়েছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী তৌহিদুর রহমান সোহেল বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং কাউনিয়া কালাখান সড়কের বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে তরুণী উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে আইনজীবী সোহেলের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। পরিচয় থেকে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। একপর্যায় সোহেল বিয়ের প্রস্তাব দিলে রাজি হন তরুণী।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বর নগরীর আমতলার মোড় এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কয়েকটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন অভিযুক্ত সোহেল। পরে একটি অফিসে নিয়ে তাকে জানানো হয় যে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোনো রেজিস্ট্রি কাবিন বা আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়নি।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, পর দিন ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গির্জা মহল্লার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন সোহেল। এরপর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে নগরীর বাজার রোড এলাকায় বাসা ভাড়া নেন তিনি। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত যাতায়াত ও শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যান তারা।

তরুণী অভিযোগ করেছেন, ইতোপূর্বে তিনি একাধিকবার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন করার জন্য চাপ দিলেও অভিযুক্ত সোহেল নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল রাতে অভিযুক্ত সোহেল আবারও তরুণীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেন। ওই সময় বিয়ের রেজিস্ট্রির কথা তুললে অভিযুক্ত সরাসরি জানিয়ে দেন যে, তাদের মধ্যে কোনো বিয়ে হয়নি এবং তিনি তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন না।

এ ঘটনায় বিচার চেয়ে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর আদালতের শরণাপন্ন হন ওই তরুণী।

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম বলেন, মামলার বিষয়টি শুনেছি। তবে কী আদেশে হয়েছে সেটা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। কাগজ পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, ওই মেয়ে আগেও আমার কাছে একই বিষয়ে অভিযোগ করেছিল। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমি দুজনকে নোটিশ করেছিলাম। এখন আদালতের আদেশের কপি হাতে পেলে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com