নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন পদায়ন নিয়ে সৃষ্টি হওয়া জটিলতা সমাধানে পৌছেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নুতন বা পুরাতন কেউ থাকছে না সিভিল সার্জন পদে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন কাউকে সিভিল সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের (পার-২)=যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন-সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে অলোচনা করে সমাধানে যেতে একটু সময় নিয়েছি। সবকিছু বিবেচনায় মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন ও পুরাতন দু’জনের কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে না। চলতি সপ্তাহে আমরা নতুন কাউকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দেব। এছাড়া আমরা আরো একটি বিষয় চিন্তা করে রেখেছি। সেটা হচ্ছে -আপদকালীন সময়ে সিনিয়র কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা। তবে সেটার সম্ভাবনা কম। আমরা পদায়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
তিনি বলেন-সিভিল সার্জন জেলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ন পদ। সেই জনসম্পৃক্ত অফিসটি আজ প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তালাবদ্ধ। এটা কিভাবে সম্ভব।
তিনি আরো বলেন-আমরা বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার স্যারের সাথে কথা বলেছি ও আন্ত মন্ত্রণালয় আলোচনা হয়েছে। সমাধান পেয়ে গেছি। দু/একটা দিন অপেক্ষা করতে হবে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোঃ খলিল আহমেদ বলেন-সরকার আপনাকে তো অফিসার দিচ্ছে কিন্তু আপনি যদি তা গ্রহণ না করে বাধা দেন তাহলে সরকারের কি করার আছে। সরকার তো আর সবাই কে জিজ্ঞাসা করে পদায়ন করবে না। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে যোগদান করতে বাধা দেওয়া হলো। একই অবস্থা হলো সিভিল সার্জনের ক্ষেত্রেও। এভাবে হলে সেই এলাকার জনগনকে ভুগতে হবে। এটাই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন- মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি নিয়ে আমার সাথে আলাপ করেছে। যতটুকু মনে হয়েছে মন্ত্রণালয় সমাধানের পথে গিয়েছে। আশা করছি চলতি সপ্তাহেই এর সমাধান হবে।
প্রসঙ্গত গত ২২ জুলাই বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মঞ্জুর ই এলাহীকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডাঃ মোঃ মনিরুজ্জামান কে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসাবে পদায়ন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর পরই মনিরুজ্জামান কে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর দাবি করে সিভিল সার্জন অফিসে তালা দিয়ে আন্দোলন শুরু করে একদল শিক্ষার্থী। যা এখনো অব্যাহত আছে।