শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
বরিশালে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বিস্তার রোধে কমিউনিটি ডায়ালগ গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫০ বরিশালের স্বাস্থ্যখাত : চিকিৎসক-জনবল-ওষুধ সংকটে বেহাল দশা! বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: স্মরণসভায় বিশিষ্টজনদের শ্রদ্ধা ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ আটক ৭ এবার মেসিরই ব্যালন ডি’অর জেতা উচিত— বেকহাম স্থানীয় নির্বাচনের আগে মাঠ পর্যায় থেকে সিসি ক্যামেরার তথ্য চাইল ইসি স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কবরস্থান দখলচেষ্টার অভিযোগ কলাপাড়ায় সমকা‌মিতার অ‌ভি‌যো‌গে তোলপাড়

‘বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে যা হয়েছে, তা লজ্জাজনক’

/ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্পোর্টস ডেক্স ।।

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট খেলতে গিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়ার প্রায় এক মাস হতে চলল। সেই সিরিজে ডারউইনে ৯ উইকেটে জয়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত-হাসান মাহমুদ-মেহেদী হাসান মিরাজদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, রিকি পন্টিংয়ের মতো সাবেকরা। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্যাট কামিন্স-মারনাস লাবুশেনদের নিয়ে সমালোচনা হয়েছে অনেক। স্টিভ স্মিথও কথা বলেছেন এ ব্যাপারে।

ইংল্যান্ডের ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্মিথ মূলত ম্যাকাই টেস্টের উইকেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন। মাত্র দুই দিনে ৭৫০ বলে শেষ হওয়া টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানে জিতে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাঁচিয়েছে। অজি তারকা ব্যাটার বলেন, ‘এটা সত্যিই লজ্জাজনক। আমরা এত বেশি পেসবান্ধব উইকেটে খেলে শেষ পর্যন্ত এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে স্পিনারদের রাখা হচ্ছে না একাদশে। কারণ, আমি স্পিনারদের নিয়ে খেলতে খুব ভালোবাসি।’

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৬১ উইকেটের মধ্যে ৪৯ উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। হাসান-স্টার্কদের আগুনের গোলা সামলানো ব্যাটারদের জন্য অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। মাত্র ১২ উইকেট পেয়েছেন স্পিনাররা। যেখানে মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাথান লায়ন ৬, ২ ও ৪ উইকেট নিয়েছেন।

ব্যাটিং কিংবদন্তি হয়ে উঠলেও লেগস্পিনার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন স্মিথ। এখন যদিও বোলিংয়ে তেমন একটা নিয়মিত নন। তবু স্পিনারদের বিপক্ষে খেলাটা উপভোগ করেন ৩৭ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে স্মিথ বলেন, ‘স্পিনারদের বোলিং দেখতেও আমার দারুণ লাগে। একটা সময় আমিও স্পিন বোলার ছিলাম। টেস্ট ক্রিকেটে স্পিন যেন আবার আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—আমি সেটাই দেখতে চাই।’

ওয়ানডেকে গত বছর বিদায় বলেছেন স্মিথ। বয়সও হয়ে গেছে ৩৭ বছর। তবে এটা তো কেবল তাঁর কাছে নিছকই একটা সংখ্যা। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকও তিনি। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১৮৪ ও ১৫৭ রান করেন গ্রিন ও স্মিথ। ওয়ানডেকে বিদায় বললেও অস্ট্রেলিয়া কতটা ব্যস্ত সময় পার করে, সেটা কারও অজানা নয়। সূচি অনুযায়ী আগামী ১১ মাসে ২২ টেস্ট খেলার কথা অজিদের। যার মধ্যে ২০২৭ সালের জুনে ইংল্যান্ডের মাঠে রয়েছে অ্যাশেজও।

২০২৭ অ্যাশেজে খেলতে পারবেন কি না, সে ব্যাপারে স্মিথ যথেষ্ট সন্দিহান। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৩৭ বছর বয়সী ব্যাটার বলেন, ‘আগামী অ্যাশেজে থাকব কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত না। সিরিজ ধরে ধরে ভাবছি। ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ জিততে পারলে ভালোই লাগবে।’

বর্তমানে স্মিথের ব্যস্ততা ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগ নিয়ে। আমস্টারডাম ফ্লেমসের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৬ গড় ও ১২৬.৩১ স্ট্রাইকরেটে করেন ৯৬ রান। নেই কোনো ফিফটি। মূলত অলিম্পিকে খেলতেই বেশি বেশি টি-টোয়েন্টি খেলছেন তিনি। স্মিথ বলেন, ‘অলিম্পিকে খেলাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। বেশি বেশি টি-টোয়েন্টি খেলতেই ইউরোপিয়ান লিগে খেলছি।’

২০১০ থেকে এখন পর্যন্ত ১২৬ টেস্টে ৫৬ গড়ে স্মিথ করেছেন ১০৯২০ রান। ৩৭ সেঞ্চুরি ও ৪৫ ফিফটি খেলেছেন। বলতে গেলে শুধু ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণেই খেলছেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ স্মিথ খেলেছেন ২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৪ বছরে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন ৬৭ টি-টোয়েন্টি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com