নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে আটক হওয়ার পর পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহর নির্দেশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার।
তিনি জানান, এএসআই দেলোয়ার হোসেন গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ দিনের আরআরএল ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে তার আটক হওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালের কড়াপুর ইউনিয়নের মিরাজুল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বসতঘরে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ চারজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন নিজেকে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এএসআই হিসেবে পরিচয় দেন। পরে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এয়ারপোর্ট থানার ওসিকে অবহিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক। এএসআই দেলোয়ার হোসেনের কাছে মাদক না পাওয়ায় পরবর্তীতে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আটক দেলোয়ার হোসেনকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার আরও বলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় পুলিশের কোনো সদস্য মাদক সংক্রান্ত বা এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ।