বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ পরিমাপে কম: বরিশালে দুই ফিলিং স্টেশনে জরিমানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, বেচাকেনা বন্ধ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ববি সংলগ্ন মহাসড়ক সংস্কার না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সওজ প্রকৌশলী সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উত্তাল বঙ্গোপসাগর, নৌকা-ট্রলারকে সতর্ক থাকার নির্দেশ মোবাইল না দেওয়ায় মা-বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় কিশোর! মনপুরায় অধ্যক্ষের ওপর হামলা, যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের ৮ নেতার বিরুদ্ধে মামলা তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই: ডা. জাহেদ

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

/ ৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স ।।

বিগত সরকারের আমলে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। পাশাপাশি অনুমোদন থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোও যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারে আসার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। এটি পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।’

আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।

উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের কামড়ে রোগী মারা যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাপের দংশনের পর রোগী বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত কি না, তা বোঝার জন্য কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।’

তিনি সাপের দংশনের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com