পটুয়াখালী প্রতিনিধি ।।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদের বিরুদ্ধে একটি প্রাইভেট কারের চালককে মারধর করে গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রাইভেট কারে ফাহাদের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা আধঘণ্টা সড়ক আটকে রাখেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পৌর শহরে সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেজে, ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন তার এক বন্ধুকে নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে কালাইয়া পূবালী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি চালক মো. শাহিন মিয়া চালাচ্ছিলেন। শাহিনের দাবি যানজট সৃষ্টি হলে গাড়ির পেছন দিক থেকে ফাহাদ তাঁর মোটরসাইকেল দিয়ে কয়েক দফা ধাক্কা দেন। শাহিন ধাক্কা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাহাদ মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে তাকে মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পথচারীরা এগিয়ে এলে রাজিব গাড়ি রেখে একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে গিয়ে বসেন। চালক শাহিনকে নিয়ে পাশের একটি দোকানে বসিয়ে রাখা হয়। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে সেখানে খবর দিয়ে আনা হয়। তখন দ্বিতীয় দফায় শাহিনকে মারধর করেন ফাহাদ ও তার লোকজন। একপর্যায়ে শাহিনের কাছ থেকে চাবি ছিনিয়ে নিয়ে অন্য এক চালক দিয়ে গাড়ি নিয়ে যান তারা।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, টাকাসহ তার গাড়ি ফাহাদ ছিনিয়ে নিয়েছেন। তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন।
তবে আবদুল্লাহ আল ফাহাদ গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়া ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাউফল সরকারি কলেজ থেকে কালাইয়া যাওয়ার পথে যানজটে পড়েন। সামনে একটি গাড়ি ছিল। এ কারণে তিনি যেতে পারছিলেন না। একপর্যায়ে গাড়িটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেটির চালক ফাহাদ তার হাত ধরে টান দেন এবং গাড়িতে ধাক্কা দেওয়ার কারণ জানতে চান। তবে তিনি (ফাহাদ) কারও গাড়িতে ধাক্কা দেননি।