নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশাল নগরীর চকের পুল এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বাবুল সিকদার।এ নগরীতে তাকে প্রায় সকলেই চেনে ট্রাফিক পাগল বাবুল হিসেবে। গলায় বাঁশি ঝুলিয়ে কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি—সবকিছু উপেক্ষা করে গত কয়েক যুগ ধরে চকের পুলের ট্রাফিকের জ্যাম ছাড়াতে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করে আসছেন নি:স্বার্থভাবে।৬০বছর বয়সী বাবুল সিকদার চকের পুলের পাশে জেলখালের জমিতে টং চায়ের একটি দোকান দিয়ে নিজের জীবিকা নির্বাহ করেন।কঠোর পরিশ্রম ও সততাই তাঁর জীবনের সম্বল।হঠাৎ তার দোকানে গত ২৩ সেপ্টেম্বর চা খেতে গিয়ে দোকানের মালামালবিহীন অবস্থা দেখে মন খারাপ হয় নগরীর মানবিক সরকারী কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজের।তিনি সমাজ সেবা অধিদপ্তর,বরিশালের আঞ্চলিক প্রশিক্ষন কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। একে তো মাসের শেষ অন্যদিকে সরকারীভাবেও সহসাই মিলবে না কোন সাহায্য। তাই ট্রাফিক পাগল বাবুলের দোকানে কিছু মালামাল কিনে দিতে মানবিক সমাজসেবা কর্মকর্তা ব্যাবহার করেন তার বন্ধুদের সমন্বয়ে পরিচালিত সংগঠন ইভেন্ট ৮৪ কে।সেখান থেকে বাবুল সিকদারের দোকানটি মোটামুটি ভাবে সাজাতে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনে দেন তিনি যাতে বাবুল স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁর ব্যবসা করতে পারেন।
সাজ্জাদ পারভেজের এই উদ্যোগে খুশী চা দোকানী বাবুল সিকদার। তিনি জানালেন সাজ্জাদ সাহেবের মত যদি সমাজের বিওবানরা কিংবা সরকার তার সহায়তায় এগিয়ে আসেন তাহলে তিনি দোকানটির মেরামত করে সুন্দর করে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।ট্রাফিক পাগল বাবুলের পাশে ইভেন্ট ৮৪