বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ৫ বছরে ৬৬ হাজার অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি সেবার মান নিয়ে! এসএসসি পরীক্ষা: বরিশালে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই ইয়াবা কিনতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণধোলাইয়ের শিকার কলেজ কর্মচারী বরগুনায় বাড়ছে ডেঙ্গু, ১৪ দিনে আক্রান্ত ১৮৭ ২০ আগস্ট থেকে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে নৌযান শুমারি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন একাদশে ভর্তিতে বড় পরিবর্তন, থাকছে না মাইগ্রেশন ‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’—শাবনূরের রহস্যময় বার্তা কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নিহত ৯ জনের আটজনই বাংলাদেশি বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশি টাকায় কত?

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন

/ ১৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স  ।।

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হায়দার সংগ্রাম।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি আপার স্বামী অ্যাডভোকেট তৌফিক নেওয়াজ। মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক।

জানা গেছে , রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনরা। ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।

তিনি ১৯৮০ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দ্য নিউ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অর্ডার প্রকাশ করেন। ওয়াধাম কলেজ, অক্সফোর্ডে পড়ার সময় তিনি কামাল হোসেনের একজন গবেষণা সহযোগী ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৩ সালে নওয়াজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের একজন সম্মানিত পরিচালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার প্রকল্পের সমন্বয়কারী ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com