প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।।
গত ৬ সেপেটম্বর বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আমার সাবেক স্ত্রী মেহেরুন নেছা আমাদের সংস্থা ডিজাএ্যাবল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (ডিডব্লিউএফ) এর অর্থায়নে পরিচালত প্রতিষ্ঠান এবং আমাকে জড়িয়ে নানা অসত্য, বিভ্রান্তমুলক ও কুরুচিপূর্ন বক্তব্য প্রদান করেছেন। যা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং আমার ব্যাক্তিগত সম্মান ক্ষুন্ন করার সামিল।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রকৃতপক্ষে ডিডব্লিউএফ একটি বেসরকারি অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী ও উন্নয়ন মুলক সংস্থা। ডিডব্লিউএফ এর অর্থায়নে এর প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ এর কার্যকরি পরিষদ এবং সাধারন পরিষদ। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আলাদা আলাদা চেয়ারম্যান, ২জন শিক্ষানুরাগী সদস্য, ২জন একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কর্তৃক মনোনিত। এছাড়া ডিন চিকিৎসা অনুষদ ও স্বাস্থ্য সচিবের একজন প্রতিনিধি পদাধিকার বলে প্রতিষ্ঠান সমূহের গর্ভনিং বডির সদস্য হয়ে থাকেন।
এর বাস্তবতায় ডিডব্লিউএফ সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত কোন প্রতিষ্ঠানই ব্যক্তি বা পারিবারিক সম্পদ নয়। কিন্তু আমার সাবেক স্ত্রী মেহেরুন নেছা সংস্থার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পত্তি হিসেবে ভাগ বাটোয়ারার দাবি তুলেছেন এবং নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছেন। ২০০৬ সালে ডিডব্লিউএফ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে গড়ে উঠে। এর পর থেকে বাংলাদেশ পুলিশ সহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিভিত্তিক চিকিৎসা উপকরন এবং ওষুধ সরবরাহ করে সংস্থাটি আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করে। এর অর্থায়নে ধীরে ধীরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ২০১০-১১ সালে প্রতিষ্ঠানের কমিউনিটি প্যারামেডিক কোর্সের শিক্ষার্থীদের ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও সুইস কন্টাক্ট এর মাধ্যমে শিক্ষাবৃত্তি ও অনুদান প্রদান করা হয়। ফলে ডিডাব্লিউএফ এর পরিচালনায় ও অর্থায়নে একাধিক স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও প্রতিষ্ঠিত হয়।মেহেরুননেছা বরিশাল জেলা মহিলা শ্রমিকলীগ সভাপতি। এবং পারিবারিকভাবে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য।এতে সংবাদ সম্মেলন করে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আমার উপর চাপানো একধরনের চতুরতা ও নিজেকে বাঁচানোর শামিল।
সংবাদ সম্মেলনে মেহেরুনেছা আমার বিরুদ্ধে নারীঘটিত কল্পকাহিনী তুলে ধরেছেন। যা অসত্য এবং উদ্শ্যেপ্রনোদিত। তিনি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বাধ্য করতেন মিছিল সমাবেশে যোগ দিতে।আমার স্ত্রী হলেও তিনি ছিলেন আমার অবাধ্যগত। সাবেক স্ত্রী হিসেবে তার প্রতি সম্মান রেখে আমি তার ব্যাক্তিগত চরিত্র হনন করতে চাই না। মুলত মেহেরুন্নেছার সঙ্গে দাম্পত্ব জীবনের বনিবনা না হওয়ায় গত ২৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ আইন ও শরিয়া মতে মেহেরুন নেছার সাথে আমার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ফলে সংক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আমার এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রপাচার এবং ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন।
তার এ কার্যক্রমে আমার ২ সন্তান ও আমার ও তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্খীরাও হতবাক।ভবিষ্যতে এধরনের কর্মকান্ড থেকে মেহেরুন নেছা বিরত না থাকলে প্রতিষ্ঠানের বৃহৎ স্বার্থে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম
নির্বাহী পরিচালক
ডিজাএ্যাবেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (ডিডব্লিউএফ)।