রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
হাম: ২৪ ঘন্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, হাতুড়ির আঘাতে যুবক নিহত ফরিদপুরে বাসের ধাক্কায় নিহত ৫, বাসে আগুন আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভয়াবহ হতে পারে ডেঙ্গু, উচ্চ ঝুঁকিতে বরিশাল-ঢাকা-চট্টগ্রাম সুগন্ধা নদীতে সেতুর প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে সেতু সচিব প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বরিশাল সফর ঘিরে উচ্ছ্বসিত বিএনপির নেতাকর্মীরা! নকলের সুযোগ না পেয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১৫ সাবেক স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, শিশুসন্তানকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সফরকে ঘিয়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির অপেক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলবাসী! পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে ২ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার

সাবেক স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, শিশুসন্তানকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ

/ ১৭ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

নলছিটি প্রতিনিধি ।।

ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।

লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।

নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com