মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই বরিশাল নভোথিয়েটারের ১৩ কোটি টাকা বিল তুলে নিল ঠিকাদার নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি বয়সের সঙ্গে বদলায় নারীদের পুষ্টির চাহিদা, কোন বয়সে কী প্রয়োজন? পটুয়াখালী-ভোলাসহ ১০ জেলায় মামলার আগে বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু ২০৩০ সালের মধ্যে সড়কে প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের গৌরনদীতে মাদ্রাসার কক্ষ থেকে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাতে মাঝ নদীতে চলন্ত লঞ্চে ওঠার চেষ্টা, ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি ব্যবস্থাপনায় খরচ বাড়ল ৩৮৪৮১ টাকা বরগুনায় আবারও ইসমাইল শাহের মাজারে অগ্নিসংযোগ

মিয়ানমার উপকূলে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবি, নিহত ৫৩০ জন

/ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স ।।

বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দু’টি নৌকাডুবির ঘটনায় সলিল সমাধি হয়েছে হতভাগ্য ৫৩০ জন রোহিঙ্গার।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। খবর রয়টার্সের।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত জুন মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের বঙ্গপোসাগর উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল নৌকা দু’টি।

একটি নৌকায় ২৫০ জন এবং অপর নৌকায় ২৬০ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষও ছিলেন।

জুন মাসের শেষে যাত্রা শুরু করার প্রায় ২ সপ্তাহ পর গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওবতী উপকূলে নৌকা দু’টি ডুবে যায়।

আইওএম এবং ইউএনএইচসিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাওবতী উপকূলে আসার পর নৌকা দু’টি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং প্রথমে ডোবে ২৫০ জন যাত্রীবাহী নৌকাটি। তার কিছু সময় পরে দ্বিতীয় নৌকাটিও ডুবে যায় সাগরে।

রাখাইন থেকে কোন গন্তব্যের দিকে যাত্রা করেছিল নৌকা দু’টি- তা এখনও নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ড— এই তিন দেশের কোনো একটিতে পৌঁছানো ছিল নৌকাগুলোর উদ্দেশ্য।

কারণ যে পথে নৌকা দু’টি যাত্রা করেছিল— তা এই তিন দেশে গিয়েই শেষ হয়। ডুবে যাওয়া দু’টি নৌকা থেকে কোনো যাত্রী জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন— এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ও নৌ চলাচলের সময় নভেম্বর থেকে মার্চ— এই ৫ মাস। বাকি ৭ মাস দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং সমুদ্র অশান্ত থাকার কারণে জাহাজ ও নৌ চলাচল বন্ধ থাকে। এই হতভাগ্য রোহিঙ্গারা এমন সময়ে যাত্রা করেছিলেন, যখন সাগর চূড়ান্ত অশান্ত ছিল।

২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভিযান শুরু করলে দলে দলে তারা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসা শুরু করেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান করছেন কমপক্ষে ৮ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের সরকার তাদের বসবাস করার অনুমতি দিলেও নাগরিকত্ব প্রদান করেনি।

এ কারণে তাদের মধ্যে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ হাজার ৫০০ জনেরও অধিক রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে যাত্রা করেছেন এবং তাদের মধ্যে সলিল সমাধি ঘটেছে প্রায় ৯০০ জনের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com