নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
বরিশাল সদর উপজেলায় সার ডিলারশিপ বিতরণকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম আব্বাস এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্যের এপিএস হারুনর রশীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুররহমান একটি ভিডিও বার্তা দখিনের প্রতিবেদন সহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি সামনে আসে। ভিডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে সার ডিলারশিপ বিতরণ প্রক্রিয়া এবং এ-সংক্রান্ত কথিত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।
অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সার ডিলারশিপ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলের অনেকে।
তবে এ বিষয়ে সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম আব্বাস জানিয়েছেন বিষয়টি মিথ্যা। একটি মহল রাজনৈতিকভাবে না পেরে এখন মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে।
অন্যদিকে ভিডিও বার্তা প্রকাশকারী ব্যক্তি নিজেও সদর আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান সরোয়ারের অনুসারী।দখিনের প্রতিবেদনে প্রকাশিত ভিডিওর কমেন্টে দেখা যায়, সরোয়ার ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি আব্বাস – হারুনের বিরুদ্ধে লিখেছেন, মশিউল ইসলাম পলাশ নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন “অভাবে থাকলেও স্বভাব নষ্ট করি নাই আর কারো কাছে কিছু চাই নাই বলে দুঃখজনক হলেও কারো চারিত্রিক সার্টিফিকেট দিতে পারছি না। ”
রবিউল ইসলাম নয়ন নামে একজন লিখেছেন “জাগুয়ার সারের ডিলারশিপ যিনি পেয়েছেন খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তিনি ওখানের সন্তানই নয়। জাগুয়ায় জমি কিনে তিনি পেয়েছেন সারের ডিলারশিপ ইতিপূর্বে চুপ ছিলাম তবে এখন জানতে পেরে প্রকাশ করলাম যদি অবিলম্বে প্রকাশ করা বন্ধ না হয় তাহলে আমরাও ভবিষ্যতে মুখ খুলবো। “রেজাউল ইসলাম অপু লিখেছেন “খা খা তোরা লুটেপুটে খা।কাফনের তো কোন পকেট নাই”।
মোহাম্মদ রিপন নামে একজন লিখেছে “কাশীপুরে যে স্যারের ডিলার পেয়েছে তিনি সরোয়ার ভাইয়ের এমপি নমিনেশনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সে চাঁদপাশার লোক শুধুমাত্র সদস্য সচিবের সুপারিশে তিনি কাশিপুরে সারের ডিলারশিপ পেল এগুলো কি অর্থের বিনিময়ে? “মাইনুল ইসলাম রুবেল নামে একজন লিখেছে ঘটনার সত্যতা সঠিক তদন্ত করা হোক। আরিফুল ইসলাম জনি লিখেছেন” কি একটা অবস্থা… ছি! “জিয়াউল ইসলাম সাবু লিখেছেন দুঃখজনক ব্যাপার। হাফিজ আহমেদ বাবলু লিখেছেন দুঃখজনক। আজাদী হাসনাত ফিরোজ লিখেছেন যেসব ইউনিয়নের টাকা দিয়ে ডিলার নিয়ে দিয়েছে তারা সকলে সাংবাদিকদের জানিয়ে দিন দালালদের দিয়ে কোন কাজ হবে না দলের দুর্দিনের সময় ত্যাগী কর্মীদের প্রয়োজন হবে ত্যাগিরা কখনো হার মানে না।
অন্যদিকে কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবু তাহের খোকন মুন্সী জানান,সারের ডিলার নিয়ে আব্বাস ও হারুন আমার নিকট ৩ লাখ টাকা চেয়েছিলো।আমি দিতে পারি নাই তাই ডিলারশীপও পাই নাই।