বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ভালোবাসার অঙ্গীকার শ্রীময়ীর, কাঞ্চনকে নিয়ে কটাক্ষ নেটিজেনদের অভিযানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মুচলেকায় ছাড়া, মা ইলিশ শিকারে শিশুরা বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎ না দিয়ে ৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখলেন এমপি সরোয়ার! শিশুদের বাণিজ্যিক যৌন শোষণ প্রতিরোধে পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পারফরম্যান্স মূল্যায়ন ও পুরুস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা ‘‘নদী রক্ষায় করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কুয়াকাটায় মাদক সেবনের অপরাধে দুই চালকে কারাদণ্ড পিরোজপুরে বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল

পিরোজপুরে বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল

/ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

পিরোজপুর প্রতিনিধি ।।

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য দুলাল ফকির মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেদের নামে বরাদ্দ করা ২৫ কেজি চালের সুবিধা নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে বরাদ্দ করা সেই চাল পেয়েছেন ওই বিএনপি নেতা।

ইউপি সদস্য দুলাল ফকির চরবলেশ্বর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন ফকিরের ছেলে। তিনি আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল। সমুদ্রগামী মাছ ধরার ২টি ফিশিং বোর্ডের মালিক তিনি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।

জানা যায়, উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও একই ইউনিয়নের ০১ নম্বর চরবলেশ্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. দুলাল ফকিরের জেলে কার্ডের তালিকায় তার নাম রয়েছে এবং তিনি মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের দেওয়া সহায়তার চাল উত্তোলন করছেন। উপজেলার মৎস্যজীবী তালিকায় ৩৮ নম্বর কলামে তার নাম রয়েছে। এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, চন্ডিপুর ইউনিয়নে প্রকৃত জেলেদের অনেককেই বাদ দিয়ে অন্য পেশার মানুষকে জেলে কার্ডের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ওই বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মো. দুলাল ফকির জানান, আমি একজন মহাজন। আমার সাগরে মাছ ধরার ফিশিং বোর্ড রয়েছে। তবে মহাজন ও জেলে সবারই জেলে কার্ড পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি চাল উত্তোলন করে অন্য এক জেলেকে দিয়েছি।

 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদ আহমেদ বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে কাউকেই সুপারিশ করা হয়নি। এমন ঘটনা হয়েছে কিনা এটা মৎস্য অফিস জানেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ রহমান জানান, ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ডের বিষয়টি আমার জানা নেই। তালিকা না দেখে কিছু বলতে পারবো না। যদি এরকমের ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com