বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
Logo
সর্বশেষ :
ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ভালোবাসার অঙ্গীকার শ্রীময়ীর, কাঞ্চনকে নিয়ে কটাক্ষ নেটিজেনদের অভিযানে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মুচলেকায় ছাড়া, মা ইলিশ শিকারে শিশুরা বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎ না দিয়ে ৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখলেন এমপি সরোয়ার! শিশুদের বাণিজ্যিক যৌন শোষণ প্রতিরোধে পৃথক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পারফরম্যান্স মূল্যায়ন ও পুরুস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আগৈলঝাড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, জরিমানা ‘‘নদী রক্ষায় করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কুয়াকাটায় মাদক সেবনের অপরাধে দুই চালকে কারাদণ্ড পিরোজপুরে বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল

মিয়ানমার উপকূলে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবি, নিহত ৫৩০ জন

/ ২২০ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

অনলাইন ডেক্স ।।

বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দু’টি নৌকাডুবির ঘটনায় সলিল সমাধি হয়েছে হতভাগ্য ৫৩০ জন রোহিঙ্গার।

জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। খবর রয়টার্সের।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত জুন মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের বঙ্গপোসাগর উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল নৌকা দু’টি।

একটি নৌকায় ২৫০ জন এবং অপর নৌকায় ২৬০ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষও ছিলেন।

জুন মাসের শেষে যাত্রা শুরু করার প্রায় ২ সপ্তাহ পর গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওবতী উপকূলে নৌকা দু’টি ডুবে যায়।

আইওএম এবং ইউএনএইচসিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাওবতী উপকূলে আসার পর নৌকা দু’টি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং প্রথমে ডোবে ২৫০ জন যাত্রীবাহী নৌকাটি। তার কিছু সময় পরে দ্বিতীয় নৌকাটিও ডুবে যায় সাগরে।

রাখাইন থেকে কোন গন্তব্যের দিকে যাত্রা করেছিল নৌকা দু’টি- তা এখনও নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ড— এই তিন দেশের কোনো একটিতে পৌঁছানো ছিল নৌকাগুলোর উদ্দেশ্য।

কারণ যে পথে নৌকা দু’টি যাত্রা করেছিল— তা এই তিন দেশে গিয়েই শেষ হয়। ডুবে যাওয়া দু’টি নৌকা থেকে কোনো যাত্রী জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন— এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “বঙ্গোপসাগরে জাহাজ ও নৌ চলাচলের সময় নভেম্বর থেকে মার্চ— এই ৫ মাস। বাকি ৭ মাস দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং সমুদ্র অশান্ত থাকার কারণে জাহাজ ও নৌ চলাচল বন্ধ থাকে। এই হতভাগ্য রোহিঙ্গারা এমন সময়ে যাত্রা করেছিলেন, যখন সাগর চূড়ান্ত অশান্ত ছিল।

২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভিযান শুরু করলে দলে দলে তারা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসা শুরু করেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান করছেন কমপক্ষে ৮ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের সরকার তাদের বসবাস করার অনুমতি দিলেও নাগরিকত্ব প্রদান করেনি।

এ কারণে তাদের মধ্যে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ হাজার ৫০০ জনেরও অধিক রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিতে যাত্রা করেছেন এবং তাদের মধ্যে সলিল সমাধি ঘটেছে প্রায় ৯০০ জনের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com